১১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ড্রাগন ফল চাষে সফল কৃষক আলীম

কৃষক আব্দুল আলীম (৬৩)

ড্রাগন ফল চাষ করে সফলতা পেয়েছেন টাঙ্গাইলের মধুপুরের কৃষক আব্দুল আলীম (৬৩)। তিনি তার নিজস্ব ৪ বিঘা জমিতে ড্রাগন ফল চাষ করে লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছেন। তিনি উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের মালাইত গ্রামে  ড্রাগন ফল চাষ করেন।

আলীম জানান, তিনি টিভিতে কৃষি দিবানিশী অনুষ্ঠান দেখে ড্রাগন ফল চাষের প্রতি আকৃষ্ট হন। নাটোর থেকে ড্রাগন ফল চাষ সম্পর্কে খবর নিয়ে ওখান থেকে ৬০ টাকা করে ৮০০ চারা কিনে বাগান করেন। বাগনে এখন ফল ধরেছে। প্রতি কেজি ড্রাগন ফল ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাগান করতে এ পর্যন্ত তার খরচ হয়েছে প্রায় ৫ লাখ টাকা। তার আশা ভাল ভাবে ড্রাগন ফল বিক্রি করতে পারলে তার আসল টাকা এ বছরই উঠে আসবে। আগামী বছর থেকেই লাভের মুখ দেখবে বলে জানান।

আরো পড়ুন- বিদ্যালয়ের ছাদে দৃষ্টিনন্দন বাগান

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  এক্সলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আব্দুল আলীমের বাড়ী পার্শ্ববর্তী উপজেলা ধনবাড়ীর পানকাটা গ্রামে। তার ২ ছেলে ও ২ মেয়ে। ১ ছেলে একজন সৈনিক। অপরজন ব্যাংকে চাকরি করেন। কৃষক হিসেবে আব্দুল আলীম একজন সফল কৃষক।

এ ব্যাপরে উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদুল হাসান জানান, মধুপুরে ড্রাগনের চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ড্রাগন চাষে কৃষকদের আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত নানাভাবে পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছে। যাতে করে ড্রাগন ফল চাষ উপজেলায় প্রসার লাভ করে। এতে করে কৃষকরা সাবলম্ভী ও সফল হতে পারে। ড্রাগন ফলে বর্তমানে বেশ চাহিদা রয়েছে।

আরো পড়ুন- ময়মনসিংহের মাছ জাদুঘরে কি আছে ?

জনপ্রিয় সংবাদ

ড্রাগন ফল চাষে সফল কৃষক আলীম

প্রকাশিত : ১১:৩৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২০

ড্রাগন ফল চাষ করে সফলতা পেয়েছেন টাঙ্গাইলের মধুপুরের কৃষক আব্দুল আলীম (৬৩)। তিনি তার নিজস্ব ৪ বিঘা জমিতে ড্রাগন ফল চাষ করে লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছেন। তিনি উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের মালাইত গ্রামে  ড্রাগন ফল চাষ করেন।

আলীম জানান, তিনি টিভিতে কৃষি দিবানিশী অনুষ্ঠান দেখে ড্রাগন ফল চাষের প্রতি আকৃষ্ট হন। নাটোর থেকে ড্রাগন ফল চাষ সম্পর্কে খবর নিয়ে ওখান থেকে ৬০ টাকা করে ৮০০ চারা কিনে বাগান করেন। বাগনে এখন ফল ধরেছে। প্রতি কেজি ড্রাগন ফল ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাগান করতে এ পর্যন্ত তার খরচ হয়েছে প্রায় ৫ লাখ টাকা। তার আশা ভাল ভাবে ড্রাগন ফল বিক্রি করতে পারলে তার আসল টাকা এ বছরই উঠে আসবে। আগামী বছর থেকেই লাভের মুখ দেখবে বলে জানান।

আরো পড়ুন- বিদ্যালয়ের ছাদে দৃষ্টিনন্দন বাগান

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  এক্সলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আব্দুল আলীমের বাড়ী পার্শ্ববর্তী উপজেলা ধনবাড়ীর পানকাটা গ্রামে। তার ২ ছেলে ও ২ মেয়ে। ১ ছেলে একজন সৈনিক। অপরজন ব্যাংকে চাকরি করেন। কৃষক হিসেবে আব্দুল আলীম একজন সফল কৃষক।

এ ব্যাপরে উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদুল হাসান জানান, মধুপুরে ড্রাগনের চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ড্রাগন চাষে কৃষকদের আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত নানাভাবে পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছে। যাতে করে ড্রাগন ফল চাষ উপজেলায় প্রসার লাভ করে। এতে করে কৃষকরা সাবলম্ভী ও সফল হতে পারে। ড্রাগন ফলে বর্তমানে বেশ চাহিদা রয়েছে।

আরো পড়ুন- ময়মনসিংহের মাছ জাদুঘরে কি আছে ?