ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর প্রথমবারের মতো এ নিয়ে সরাসরি কথা বললেন শি জিনপিং। চীনের এই নেতা ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁর দেশ শান্তি আলোচনায় গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে চায়।
এর আগে গত রোববার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনালাপের সময় মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় সহায়তার ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আর সোমবার ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা তেহরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজ ভূখণ্ডে রাখতে আগ্রহী।
মূলত পারমাণবিক কর্মসূচি ও হরমুজ প্রণালি নিয়ে মত পার্থক্যের কারণে ইসলামাবাদের সংলাপ ব্যর্থ হয় বলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। একই সময় সিএনএন ও নিউইয়র্ক টাইমসের মতো গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে বা করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এরপর চীনের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার অস্ত্র সরবরাহের খবরকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করে বেইজিং।
মঙ্গলবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বললেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিতে তাঁর দেশ একটি ‘গঠনমূলক ভূমিকা’ পালন করবে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, শি জিনপিং শান্তি প্রচার এবং আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করার বিষয়ে চীনের নীতিগত অবস্থানের কথা পুনরায় ব্যক্ত করেছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, চীন এই প্রক্রিয়ায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখবে।
অনলাইন ডেস্ক 
























