০৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ইইউর ডেনিম বাজারে শীর্ষে বাংলাদেশ, ৮ মাসে রপ্তানি কমেছে

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ডেনিম বাজারে শীর্ষ সরবরাহকারীর অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। তবে ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে বাজারটিতে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানির মূল্য কমেছে ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ। বিপরীতে, আগস্টে রপ্তানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ। এতে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানিতে পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ইইউভুক্ত দেশগুলো মোট ২৯৫ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার ইউরো মূল্যের ডেনিম আমদানি করেছে। গত বছরের একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ৩০৯ কোটি ২২ লাখ ৭০ হাজার ইউরো। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বাজারটির ডেনিম আমদানি কমেছে ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ।

তবে আগস্টে ইইউর ডেনিম আমদানি বেড়ে ৪৩ কোটি ১৬ লাখ ১৬ হাজার ইউরোতে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই মাসের তুলনায় এ প্রবৃদ্ধি ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

ইইউর ডেনিম বাজারে শীর্ষ সরবরাহকারী হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো অক্ষুণ্ন রয়েছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বাংলাদেশ থেকে ৮৬ কোটি ৯১ লাখ ৩০ হাজার ইউরো মূল্যের ডেনিম আমদানি করেছে ইইউ। এ সময়ে বাজারটির মোট ডেনিম আমদানিতে বাংলাদেশের অংশ ছিল ২৯ দশমিক ৪০ শতাংশ।

সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান। দেশটি থেকে আট মাসে ৫২ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার ইউরো মূল্যের ডেনিম আমদানি করেছে ইইউ। তৃতীয় অবস্থানে থাকা তুরস্ক থেকে আমদানির পরিমাণ ছিল ৪৩ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো।

তবে শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখলেও বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে নিম্নমুখী প্রবণতা রয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানির মূল্য কমেছে ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এই পতন ইইউর সামগ্রিক ডেনিম আমদানি হ্রাসের ৪ দশমিক ৪০ শতাংশের চেয়ে বেশি। একই সময়ে বাজারটিতে বাংলাদেশের অংশ ২৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ থেকে কমে ২৯ দশমিক ৪০ শতাংশে নেমেছে।

অন্যদিকে আগস্টে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ওই মাসে বাংলাদেশ থেকে ইইউর ডেনিম আমদানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ, যেখানে বাজারটির সামগ্রিক আমদানি বেড়েছে ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ। অর্থাৎ, এ মাসে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বাজারের গড় প্রবৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে গেছে।

আগস্টে ইইউর মোট ডেনিম আমদানিতে বাংলাদেশের অংশ বেড়ে ৩১ দশমিক ১৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই মাসে এ হার ছিল ৩০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ ছাড়া আগস্টে ইইউর ডেনিম আমদানির অতিরিক্ত প্রবৃদ্ধির প্রায় ৩৫ শতাংশ এসেছে বাংলাদেশ থেকে আমদানি বৃদ্ধির কারণে।

আগস্টের এই প্রবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে আট মাসের সামগ্রিক হিসাবেও। জুলাই শেষে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানির মূল্য যেখানে ৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ কম ছিল, আগস্ট শেষে সেই পতন কমে ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশে নেমেছে।

তুরস্কের বাজার হারানো, সুযোগ পেয়েছে অন্যরা

ইইউর ডেনিম আমদানিতে বিভিন্ন সরবরাহকারী দেশের অবস্থানে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে তুরস্ক থেকে আমদানি কমে যাওয়ায় বাজারটির সামগ্রিক আমদানি হ্রাসে বড় প্রভাব পড়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় তুরস্ক থেকে ডেনিম আমদানির মূল্য কমেছে ২১ দশমিক ০৮ শতাংশ, যার পরিমাণ প্রায় ১১ কোটি ৭০ লাখ ইউরো।

এ ছাড়া মরক্কো থেকে ডেনিম আমদানি কমেছে ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ, পাকিস্তান থেকে ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ, কম্বোডিয়া থেকে ৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং তিউনিসিয়া থেকে ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

তবে কয়েকটি দেশ ইউরোপের বাজারে নিজেদের সরবরাহ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। এ সময়ে মিসর থেকে ডেনিম আমদানি বেড়েছে ৩১ দশমিক ৪৬ শতাংশ বা প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ ইউরো। চীন থেকে আমদানি বেড়েছে ১৭ দশমিক ৭০ শতাংশ বা প্রায় ৩ কোটি ইউরো। অন্যদিকে ভিয়েতনাম থেকে আমদানি বেড়েছে ৪৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ বা প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ইউরো।

তুরস্ক থেকে আমদানি কমলেও সেই সুযোগের পুরোটা বাংলাদেশ কাজে লাগাতে পারেনি। বরং মিসর, চীন ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোও ইউরোপের বাজারে সরবরাহ বাড়িয়েছে। ফলে শীর্ষ সরবরাহকারীর অবস্থান ধরে রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে দ্রুত সরবরাহ জরুরি

ইইউর ডেনিম বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো শক্তিশালী। আগস্টের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে বাজারের অংশ ধরে রাখতে শুধু উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রতিযোগিতামূলক দামের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। দ্রুত পণ্য সরবরাহ, ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী নকশা ও উৎপাদনে নমনীয়তা এবং সময়মতো অর্ডার পূরণের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

ভৌগোলিকভাবে কাছাকাছি থাকা সরবরাহকারীরা দ্রুত পণ্য পৌঁছে দেওয়ার সুবিধা পেতে পারে। তাই ইউরোপের ক্রেতাদের দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে পারলে বাংলাদেশ নতুন অর্ডার পাওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধা পাবে।

সামগ্রিকভাবে, ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে ইইউর ডেনিম বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি মূল্য কমলেও শীর্ষ সরবরাহকারীর অবস্থান অক্ষুণ্ন রয়েছে। আগস্টের প্রবৃদ্ধি বাজারে চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন এই প্রবৃদ্ধির ধারা ধরে রেখে বাজারে নিজেদের অংশ বাড়ানোই বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানিকারকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইইউর ডেনিম বাজারে শীর্ষে বাংলাদেশ, ৮ মাসে রপ্তানি কমেছে

প্রকাশিত : ০৩:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ডেনিম বাজারে শীর্ষ সরবরাহকারীর অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। তবে ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে বাজারটিতে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানির মূল্য কমেছে ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ। বিপরীতে, আগস্টে রপ্তানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ। এতে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানিতে পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ইইউভুক্ত দেশগুলো মোট ২৯৫ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার ইউরো মূল্যের ডেনিম আমদানি করেছে। গত বছরের একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ৩০৯ কোটি ২২ লাখ ৭০ হাজার ইউরো। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বাজারটির ডেনিম আমদানি কমেছে ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ।

তবে আগস্টে ইইউর ডেনিম আমদানি বেড়ে ৪৩ কোটি ১৬ লাখ ১৬ হাজার ইউরোতে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই মাসের তুলনায় এ প্রবৃদ্ধি ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

ইইউর ডেনিম বাজারে শীর্ষ সরবরাহকারী হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো অক্ষুণ্ন রয়েছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বাংলাদেশ থেকে ৮৬ কোটি ৯১ লাখ ৩০ হাজার ইউরো মূল্যের ডেনিম আমদানি করেছে ইইউ। এ সময়ে বাজারটির মোট ডেনিম আমদানিতে বাংলাদেশের অংশ ছিল ২৯ দশমিক ৪০ শতাংশ।

সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান। দেশটি থেকে আট মাসে ৫২ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার ইউরো মূল্যের ডেনিম আমদানি করেছে ইইউ। তৃতীয় অবস্থানে থাকা তুরস্ক থেকে আমদানির পরিমাণ ছিল ৪৩ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো।

তবে শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখলেও বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে নিম্নমুখী প্রবণতা রয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানির মূল্য কমেছে ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এই পতন ইইউর সামগ্রিক ডেনিম আমদানি হ্রাসের ৪ দশমিক ৪০ শতাংশের চেয়ে বেশি। একই সময়ে বাজারটিতে বাংলাদেশের অংশ ২৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ থেকে কমে ২৯ দশমিক ৪০ শতাংশে নেমেছে।

অন্যদিকে আগস্টে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ওই মাসে বাংলাদেশ থেকে ইইউর ডেনিম আমদানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ, যেখানে বাজারটির সামগ্রিক আমদানি বেড়েছে ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ। অর্থাৎ, এ মাসে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বাজারের গড় প্রবৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে গেছে।

আগস্টে ইইউর মোট ডেনিম আমদানিতে বাংলাদেশের অংশ বেড়ে ৩১ দশমিক ১৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই মাসে এ হার ছিল ৩০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ ছাড়া আগস্টে ইইউর ডেনিম আমদানির অতিরিক্ত প্রবৃদ্ধির প্রায় ৩৫ শতাংশ এসেছে বাংলাদেশ থেকে আমদানি বৃদ্ধির কারণে।

আগস্টের এই প্রবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে আট মাসের সামগ্রিক হিসাবেও। জুলাই শেষে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানির মূল্য যেখানে ৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ কম ছিল, আগস্ট শেষে সেই পতন কমে ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশে নেমেছে।

তুরস্কের বাজার হারানো, সুযোগ পেয়েছে অন্যরা

ইইউর ডেনিম আমদানিতে বিভিন্ন সরবরাহকারী দেশের অবস্থানে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে তুরস্ক থেকে আমদানি কমে যাওয়ায় বাজারটির সামগ্রিক আমদানি হ্রাসে বড় প্রভাব পড়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় তুরস্ক থেকে ডেনিম আমদানির মূল্য কমেছে ২১ দশমিক ০৮ শতাংশ, যার পরিমাণ প্রায় ১১ কোটি ৭০ লাখ ইউরো।

এ ছাড়া মরক্কো থেকে ডেনিম আমদানি কমেছে ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ, পাকিস্তান থেকে ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ, কম্বোডিয়া থেকে ৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং তিউনিসিয়া থেকে ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

তবে কয়েকটি দেশ ইউরোপের বাজারে নিজেদের সরবরাহ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। এ সময়ে মিসর থেকে ডেনিম আমদানি বেড়েছে ৩১ দশমিক ৪৬ শতাংশ বা প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ ইউরো। চীন থেকে আমদানি বেড়েছে ১৭ দশমিক ৭০ শতাংশ বা প্রায় ৩ কোটি ইউরো। অন্যদিকে ভিয়েতনাম থেকে আমদানি বেড়েছে ৪৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ বা প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ইউরো।

তুরস্ক থেকে আমদানি কমলেও সেই সুযোগের পুরোটা বাংলাদেশ কাজে লাগাতে পারেনি। বরং মিসর, চীন ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোও ইউরোপের বাজারে সরবরাহ বাড়িয়েছে। ফলে শীর্ষ সরবরাহকারীর অবস্থান ধরে রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে দ্রুত সরবরাহ জরুরি

ইইউর ডেনিম বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো শক্তিশালী। আগস্টের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে বাজারের অংশ ধরে রাখতে শুধু উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রতিযোগিতামূলক দামের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। দ্রুত পণ্য সরবরাহ, ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী নকশা ও উৎপাদনে নমনীয়তা এবং সময়মতো অর্ডার পূরণের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

ভৌগোলিকভাবে কাছাকাছি থাকা সরবরাহকারীরা দ্রুত পণ্য পৌঁছে দেওয়ার সুবিধা পেতে পারে। তাই ইউরোপের ক্রেতাদের দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে পারলে বাংলাদেশ নতুন অর্ডার পাওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধা পাবে।

সামগ্রিকভাবে, ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে ইইউর ডেনিম বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি মূল্য কমলেও শীর্ষ সরবরাহকারীর অবস্থান অক্ষুণ্ন রয়েছে। আগস্টের প্রবৃদ্ধি বাজারে চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন এই প্রবৃদ্ধির ধারা ধরে রেখে বাজারে নিজেদের অংশ বাড়ানোই বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানিকারকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।