০১:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পঞ্চগড়ে বসেই দেখা যাচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা

কাঞ্চনজঙ্ঘা

পঞ্চগড়ে বসে দেশের গণ্ডিতেই পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই দেখা যাচ্ছে হিমালয়ের দ্বিতীয় উচ্চতম ও পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা। অনেকেই পঞ্চগড়ে ছুটে আসেন এক পলক এই কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য উপভোগ করার জন্য।

প্রকৃতিতে চলছে হেমন্তকাল। হেমন্তের এই সময়টিতেই পঞ্চগড়ের বিভিন্নস্থান দেখে খালি চোখেই হিমালয় পর্বত মালার দ্বিতীয় উচ্চতম ও পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়।

পঞ্চগড়ের প্রায় সব জায়গা থেকেই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা গেলেও সবচেয়ে ভালো করে উপভোগ করা যায় তেঁতুলিয়ার মহানন্দা নদীর তীরে অবস্থিত জেলা পরিষদের ঐতিহাসিক ডাকবাংলো থেকে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এই আবহাওয়াতেই চমৎকারভাবে ভেসে উঠে কাঞ্চনজঙ্ঘা।

স্থানীয়রা জানান, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হালকা শীতে পরিষ্কার আকাশে এই পর্বত চূড়া দেখা যায়। উত্তরে চোখ গেলেই দেখতে পাবেন খোলা মাঠের ফাঁক দিয়ে চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছে শুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা।

ভোরের আলোয় এবং বিকালে পর্বত চূড়াটি পোড়া মাটির রঙ নেয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু ঝাপসা হয়ে আসে। তখন রং হয় সাদা। দূর থেকে মনে হয় এ যেন আকাশের গায়ে এক খণ্ড বরফ। পর্বত চূড়াটির নিচ দিয়েই কালো রঙে দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি এলাকা দেখা যায়।

সন্ধ্যায় দার্জিলিংয়ের জ্বলে উঠা বাতি গুলোও এখানে দাঁড়িয়ে দেখা যায়।

রাজশাহী থেকে ঘুরতে আসা বঙ্গবন্ধু কলেজের প্রভাষক রওশন আরা খাতুন বলেন, সত্যিই চোখের সামনে কাঞ্চনজঙ্ঘা ভেসে আছে ভাবতেই পারছি না। একদিকে সীমান্ত নদী মহানন্দা আর মহানন্দার তীরেব সে কাঞ্চনজঙ্ঘা উপভোগ করার মজাই আলাদা।

বগুড়া থেকে আসা আব্দুল রশিদ বলেন, খুব ভালো লাগলো পবর্ত চূড়ার অপরূপ সৌন্দর্য দেখে। সেই সঙ্গে আমরা পঞ্চগড়ের সমতলের চাবাগান, বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্ট, মহারাজার দীঘিসহ সকল পর্যটন কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখেছি। সব মিলে পঞ্চগড়ের অপরূপ প্রকৃতি আমাদের মুগ্ধ করেছে।

পরিষ্কার মেঘমুক্ত আকাশেই কেবল কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। তাই অনেক সময় খুব আগ্রহ নিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে এসে অনেককেই নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে বসেই দেখা যাচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা

প্রকাশিত : ০৯:১৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯

পঞ্চগড়ে বসে দেশের গণ্ডিতেই পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই দেখা যাচ্ছে হিমালয়ের দ্বিতীয় উচ্চতম ও পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা। অনেকেই পঞ্চগড়ে ছুটে আসেন এক পলক এই কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য উপভোগ করার জন্য।

প্রকৃতিতে চলছে হেমন্তকাল। হেমন্তের এই সময়টিতেই পঞ্চগড়ের বিভিন্নস্থান দেখে খালি চোখেই হিমালয় পর্বত মালার দ্বিতীয় উচ্চতম ও পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়।

পঞ্চগড়ের প্রায় সব জায়গা থেকেই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা গেলেও সবচেয়ে ভালো করে উপভোগ করা যায় তেঁতুলিয়ার মহানন্দা নদীর তীরে অবস্থিত জেলা পরিষদের ঐতিহাসিক ডাকবাংলো থেকে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এই আবহাওয়াতেই চমৎকারভাবে ভেসে উঠে কাঞ্চনজঙ্ঘা।

স্থানীয়রা জানান, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হালকা শীতে পরিষ্কার আকাশে এই পর্বত চূড়া দেখা যায়। উত্তরে চোখ গেলেই দেখতে পাবেন খোলা মাঠের ফাঁক দিয়ে চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছে শুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা।

ভোরের আলোয় এবং বিকালে পর্বত চূড়াটি পোড়া মাটির রঙ নেয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু ঝাপসা হয়ে আসে। তখন রং হয় সাদা। দূর থেকে মনে হয় এ যেন আকাশের গায়ে এক খণ্ড বরফ। পর্বত চূড়াটির নিচ দিয়েই কালো রঙে দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি এলাকা দেখা যায়।

সন্ধ্যায় দার্জিলিংয়ের জ্বলে উঠা বাতি গুলোও এখানে দাঁড়িয়ে দেখা যায়।

রাজশাহী থেকে ঘুরতে আসা বঙ্গবন্ধু কলেজের প্রভাষক রওশন আরা খাতুন বলেন, সত্যিই চোখের সামনে কাঞ্চনজঙ্ঘা ভেসে আছে ভাবতেই পারছি না। একদিকে সীমান্ত নদী মহানন্দা আর মহানন্দার তীরেব সে কাঞ্চনজঙ্ঘা উপভোগ করার মজাই আলাদা।

বগুড়া থেকে আসা আব্দুল রশিদ বলেন, খুব ভালো লাগলো পবর্ত চূড়ার অপরূপ সৌন্দর্য দেখে। সেই সঙ্গে আমরা পঞ্চগড়ের সমতলের চাবাগান, বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্ট, মহারাজার দীঘিসহ সকল পর্যটন কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখেছি। সব মিলে পঞ্চগড়ের অপরূপ প্রকৃতি আমাদের মুগ্ধ করেছে।

পরিষ্কার মেঘমুক্ত আকাশেই কেবল কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। তাই অনেক সময় খুব আগ্রহ নিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে এসে অনেককেই নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে হয়।