০৭:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

২০২০ সাল ছিল এশিয়ার রেকর্ড উষ্ণতম বছর, ডব্লিউএমও

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা ডব্লিউএমওর গবেষকরা বলছেন, ২০২০ সাল ছিল এশিয়ার জন্য রেকর্ড উষ্ণতম বছর।ডব্লিউএমও এই প্রথমবারের মতো এশিয়ার জলবায়ু পরিস্থিতি নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে। খবর এনএইচকে ও দ্যা গার্ডিয়ানের।

এতে গত বছর এশিয়ার গড় তাপমাত্রা বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে শূন্য দশমিক ৫ ডিগ্রি বেশি এবং গত ১০০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়।

১৯৮১ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ৩০ বছরের গড় তাপমাত্রার চেয়ে ১.৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। ৩০ বছরের গড় তাপমাত্রার এ পার্থক্য এশিয়ার উত্তরাঞ্চলে অপেক্ষাকৃত বেশি ছিল।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

প্রতিবেদনটিতে, গত বছর এশিয়ায় বন্যা, খরা, তাইফুন ও গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ৫ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৫ হাজারের বেশি প্রাণহানি ঘটেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

ডব্লিউএমও, আবহাওয়াসংক্রান্ত তথ্য ভাগাভাগি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মুখে অরক্ষিত এলাকা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতার ঘাটতি থাকা এলাকাগুলোকে সহায়তা প্রদানের জন্য একটি আন্তর্জাতিক কাঠামো জোরদার করতে দেশগুলোর একসঙ্গে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২০ সাল ছিল এশিয়ার রেকর্ড উষ্ণতম বছর, ডব্লিউএমও

প্রকাশিত : ০২:১২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ নভেম্বর ২০২১

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা ডব্লিউএমওর গবেষকরা বলছেন, ২০২০ সাল ছিল এশিয়ার জন্য রেকর্ড উষ্ণতম বছর।ডব্লিউএমও এই প্রথমবারের মতো এশিয়ার জলবায়ু পরিস্থিতি নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে। খবর এনএইচকে ও দ্যা গার্ডিয়ানের।

এতে গত বছর এশিয়ার গড় তাপমাত্রা বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে শূন্য দশমিক ৫ ডিগ্রি বেশি এবং গত ১০০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়।

১৯৮১ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ৩০ বছরের গড় তাপমাত্রার চেয়ে ১.৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। ৩০ বছরের গড় তাপমাত্রার এ পার্থক্য এশিয়ার উত্তরাঞ্চলে অপেক্ষাকৃত বেশি ছিল।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

প্রতিবেদনটিতে, গত বছর এশিয়ায় বন্যা, খরা, তাইফুন ও গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ৫ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৫ হাজারের বেশি প্রাণহানি ঘটেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

ডব্লিউএমও, আবহাওয়াসংক্রান্ত তথ্য ভাগাভাগি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মুখে অরক্ষিত এলাকা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতার ঘাটতি থাকা এলাকাগুলোকে সহায়তা প্রদানের জন্য একটি আন্তর্জাতিক কাঠামো জোরদার করতে দেশগুলোর একসঙ্গে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছে।