০১:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

ভিআইপিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টকে বিএসইসির আলটিমেটাম

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ১১:০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 153

শেয়ারবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর বিনিয়োগে নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি আরও কঠোর করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এরই অংশ হিসেবে ভিআইপিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালিত ফান্ডগুলোর বিনিয়োগের বিস্তারিত তথ্য তলব করেছে কমিশন।

বিএসইসির ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট ডিভিশন থেকে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, ভিআইপিবির অধীনস্থ বিভিন্ন ফান্ড নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির শেয়ারে অনুমোদিত সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে বেশি বিনিয়োগ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যমান বিধিমালা অনুযায়ী, একটি মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোনো একক কোম্পানিতে তার মোট সম্পদের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশের বেশি অর্থ খাটানো আইনত দণ্ডনীয়। এই সীমা অতিক্রম করা বিনিয়োগের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এবং এর কারণ ব্যাখ্যা করতে প্রতিষ্ঠানটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কমিশনের চিঠিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, ভিআইপিবির প্রতিটি ফান্ডের বিনিয়োগের বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে, বিশেষ করে যেখানে ১০ শতাংশের সীমা লঙ্ঘিত হয়েছে। এছাড়া ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিকিউরিটিজগুলোতে করা মোট বিনিয়োগের তথ্যও চেয়েছে বিএসইসি। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে এসব নথিপত্র কমিশনে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

বর্তমানে ভিআইপিবির অধীনে মোট ছয়টি ফান্ড পরিচালিত হচ্ছে। এগুলো হলো—ভিআইপিবি অ্যাক্সেলেরেটেড ইনকাম ইউনিট ফান্ড, ভিআইপিবি গ্রোথ ফান্ড, ভিআইপিবি ব্যালান্সড ফান্ড, ভিআইপিবি এসইবিএল প্রথম ইউনিট ফান্ড, ভিআইপিবি এনএলআই প্রথম ইউনিট ফান্ড এবং ভিআইপিবি ফিক্সড ইনকাম ফান্ড। আইন অনুযায়ী, ১০০ কোটি টাকার ফান্ড হলে একটি নির্দিষ্ট শেয়ারে ১০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করার সুযোগ নেই।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে বিএসইসির এই তদারকি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে বড় ভূমিকা রাখবে। একক শেয়ারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়, যা শেষ পর্যন্ত সাধারণ ইউনিটহোল্ডারদের ক্ষতিগ্রস্ত করে। বিএসইসির এই কঠোর অবস্থান সম্পদ ব্যবস্থাপকদের মধ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।বাজার পর্যালোচনা

বিএসইসির এক কর্মকর্তা জানান, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় এই সীমা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। কোনো প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করে ঝুঁকি বাড়ালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মূলত তথ্যের সঠিকতা যাচাইয়ের পরই পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিআইপিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টকে বিএসইসির আলটিমেটাম

প্রকাশিত : ১১:০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শেয়ারবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর বিনিয়োগে নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি আরও কঠোর করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এরই অংশ হিসেবে ভিআইপিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালিত ফান্ডগুলোর বিনিয়োগের বিস্তারিত তথ্য তলব করেছে কমিশন।

বিএসইসির ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট ডিভিশন থেকে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, ভিআইপিবির অধীনস্থ বিভিন্ন ফান্ড নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির শেয়ারে অনুমোদিত সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে বেশি বিনিয়োগ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যমান বিধিমালা অনুযায়ী, একটি মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোনো একক কোম্পানিতে তার মোট সম্পদের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশের বেশি অর্থ খাটানো আইনত দণ্ডনীয়। এই সীমা অতিক্রম করা বিনিয়োগের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এবং এর কারণ ব্যাখ্যা করতে প্রতিষ্ঠানটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কমিশনের চিঠিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, ভিআইপিবির প্রতিটি ফান্ডের বিনিয়োগের বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে, বিশেষ করে যেখানে ১০ শতাংশের সীমা লঙ্ঘিত হয়েছে। এছাড়া ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিকিউরিটিজগুলোতে করা মোট বিনিয়োগের তথ্যও চেয়েছে বিএসইসি। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে এসব নথিপত্র কমিশনে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

বর্তমানে ভিআইপিবির অধীনে মোট ছয়টি ফান্ড পরিচালিত হচ্ছে। এগুলো হলো—ভিআইপিবি অ্যাক্সেলেরেটেড ইনকাম ইউনিট ফান্ড, ভিআইপিবি গ্রোথ ফান্ড, ভিআইপিবি ব্যালান্সড ফান্ড, ভিআইপিবি এসইবিএল প্রথম ইউনিট ফান্ড, ভিআইপিবি এনএলআই প্রথম ইউনিট ফান্ড এবং ভিআইপিবি ফিক্সড ইনকাম ফান্ড। আইন অনুযায়ী, ১০০ কোটি টাকার ফান্ড হলে একটি নির্দিষ্ট শেয়ারে ১০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করার সুযোগ নেই।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে বিএসইসির এই তদারকি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে বড় ভূমিকা রাখবে। একক শেয়ারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়, যা শেষ পর্যন্ত সাধারণ ইউনিটহোল্ডারদের ক্ষতিগ্রস্ত করে। বিএসইসির এই কঠোর অবস্থান সম্পদ ব্যবস্থাপকদের মধ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।বাজার পর্যালোচনা

বিএসইসির এক কর্মকর্তা জানান, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় এই সীমা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। কোনো প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করে ঝুঁকি বাড়ালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মূলত তথ্যের সঠিকতা যাচাইয়ের পরই পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।