০৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

বাজারের শুরুতে স্থিতিশীলতা, শেষে বড় পতন

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (৩০ নভেম্বর) দিন শুরুর দিকে স্থিতিশীলতায় ভর করে আশাব্যঞ্জক পরিস্থিতি তৈরি হলেও দুপুর গড়াতেই শেয়ারবাজারে নেমে আসে বড় ধস। সোয়া ১২টার পর থেকে সূচক নিম্নমুখী হতে শুরু করে এবং দিনশেষ পর্যন্ত আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। ফলে শেষ পর্যন্ত ডিএসই ও সিএসই—উভয় বাজারেই সূচকে বড় ধরনের পতন দেখা যায়।

দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪৯.৩৭ পয়েন্ট কমে নেমে গেছে ৪,৯৭৮.৭৬ পয়েন্টে, যা আবারও ৫ হাজার পয়েন্টসীমার নিচে নেমে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়। ডিএসইএস সূচক কমেছে ১১.৫৩ পয়েন্ট, দাঁড়িয়েছে ১,৪৫.২৯ পয়েন্টে। আর ডিএসই-৩০ সূচক হারিয়েছে ১৭.০৯ পয়েন্ট, অবস্থান ১,৯১৭.০১ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয় ৩৯১টি কোম্পানি। এর মধ্যে ৫৭টির দর বেড়েছে, ৩০৬টির দর কমেছে এবং ২৮টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৯২ কোটি ৫৪ লাখ টাকার, যা আগের দিনের ৪৩৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ৫৩ কোটি টাকা বেশি।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দিনশেষে সিএএসপিআই সূচক ৬৫.৮২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩,৯৭১.৪২ পয়েন্টে, যা ১৪ হাজারের ঘর ভেঙে পড়ার ইঙ্গিত দেয়।
সিএসইতে আজ লেনদেন হয়েছে মাত্র ১৫ কোটি ৭ লাখ টাকার, আগের দিনের ২৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা থেকে যা উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

দিনে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪২টির দর বেড়েছে, ১২৪টির দর কমেছে এবং ১৬টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

দিনের শুরুতে যে ইতিবাচকতা বাজারে স্বস্তির বার্তা দিয়েছিল, দুপুরের পর থেকেই তা হতাশায় পরিণত হয়। বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে চলমান অনিশ্চয়তা ও আস্থাহীনতা সামান্য চাপেই বাজারকে বড় পতনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজারের শুরুতে স্থিতিশীলতা, শেষে বড় পতন

প্রকাশিত : ০৫:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (৩০ নভেম্বর) দিন শুরুর দিকে স্থিতিশীলতায় ভর করে আশাব্যঞ্জক পরিস্থিতি তৈরি হলেও দুপুর গড়াতেই শেয়ারবাজারে নেমে আসে বড় ধস। সোয়া ১২টার পর থেকে সূচক নিম্নমুখী হতে শুরু করে এবং দিনশেষ পর্যন্ত আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। ফলে শেষ পর্যন্ত ডিএসই ও সিএসই—উভয় বাজারেই সূচকে বড় ধরনের পতন দেখা যায়।

দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪৯.৩৭ পয়েন্ট কমে নেমে গেছে ৪,৯৭৮.৭৬ পয়েন্টে, যা আবারও ৫ হাজার পয়েন্টসীমার নিচে নেমে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়। ডিএসইএস সূচক কমেছে ১১.৫৩ পয়েন্ট, দাঁড়িয়েছে ১,৪৫.২৯ পয়েন্টে। আর ডিএসই-৩০ সূচক হারিয়েছে ১৭.০৯ পয়েন্ট, অবস্থান ১,৯১৭.০১ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয় ৩৯১টি কোম্পানি। এর মধ্যে ৫৭টির দর বেড়েছে, ৩০৬টির দর কমেছে এবং ২৮টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৯২ কোটি ৫৪ লাখ টাকার, যা আগের দিনের ৪৩৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ৫৩ কোটি টাকা বেশি।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দিনশেষে সিএএসপিআই সূচক ৬৫.৮২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩,৯৭১.৪২ পয়েন্টে, যা ১৪ হাজারের ঘর ভেঙে পড়ার ইঙ্গিত দেয়।
সিএসইতে আজ লেনদেন হয়েছে মাত্র ১৫ কোটি ৭ লাখ টাকার, আগের দিনের ২৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা থেকে যা উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

দিনে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪২টির দর বেড়েছে, ১২৪টির দর কমেছে এবং ১৬টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

দিনের শুরুতে যে ইতিবাচকতা বাজারে স্বস্তির বার্তা দিয়েছিল, দুপুরের পর থেকেই তা হতাশায় পরিণত হয়। বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে চলমান অনিশ্চয়তা ও আস্থাহীনতা সামান্য চাপেই বাজারকে বড় পতনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।