০৯:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিললো ৩২ বস্তা টাকা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক আবারও খোলা হয়েছে। এ সময় মসজিদের নিচতলায় থাকা ১৩টি লোহার সিন্দুক একে একে খোলার পর পাওয়া যায় ৩২ বস্তা টাকা। এছাড়াও পাওয়া গেছে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে সিন্দুক খোলার কাজ শুরু হয়।

সকাল ৭টায় দানবাক্স খোলার কাজ শুরু হয় জেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে। ছিলেন মসজিদ কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পুরো এলাকা ঘিরে ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পু‌লিশ, সেনাবা‌হিনী, র‌্যাব ও আনসার সদস‌্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।

দানবাক্সগুলো খোলার পর সংগৃহীত টাকা বস্তায় ভরে মসজিদের দোতলায় নেওয়া হয়। টাকাগু‌লো ভর‌তে মোট ৩২টি বস্তার প্রয়োজন হয়। সঙ্গে রয়েছে সোনা-রূপার অলঙ্কার ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

মসজিদের দোতলায় বসে টাকা গুনছেন মাদ্রাসার প্রায় আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থী। তাদের সহযোগিতায় কাজ করছেন রূপালী ব্যাংকের ৮০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী, মসজিদ কমিটির সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সবমিলিয়ে এই গণনায় অংশ নিয়েছেন প্রায় সাড়ে চার শতাধিক লোক।

গত ১২ এপ্রিল দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিল ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। তারও আগে, গত বছরের ৩০ নভেম্বর পাওয়া গিয়েছিল ৮ কোটি ২১ লাখ ৩৪ হাজার ৩০৪ টাকা।

এবারের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিশাল অংকের টাকা গণনাকে কেন্দ্র করে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুরো মসজিদ এলাকায় মোতায়েন রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। টাকা সংগ্রহ থেকে ব্যাংকে জমা পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন পুলিশ ও প্রশাসনের বিশেষ টিম। কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার হাছান মাহমুদ বলেন, ‘টাকা সংগ্রহ থেকে শুরু করে গণনা শেষে ব্যাংকে পাঠানো পর্যন্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিললো ৩২ বস্তা টাকা

প্রকাশিত : ১২:৪০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক আবারও খোলা হয়েছে। এ সময় মসজিদের নিচতলায় থাকা ১৩টি লোহার সিন্দুক একে একে খোলার পর পাওয়া যায় ৩২ বস্তা টাকা। এছাড়াও পাওয়া গেছে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে সিন্দুক খোলার কাজ শুরু হয়।

সকাল ৭টায় দানবাক্স খোলার কাজ শুরু হয় জেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে। ছিলেন মসজিদ কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পুরো এলাকা ঘিরে ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পু‌লিশ, সেনাবা‌হিনী, র‌্যাব ও আনসার সদস‌্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।

দানবাক্সগুলো খোলার পর সংগৃহীত টাকা বস্তায় ভরে মসজিদের দোতলায় নেওয়া হয়। টাকাগু‌লো ভর‌তে মোট ৩২টি বস্তার প্রয়োজন হয়। সঙ্গে রয়েছে সোনা-রূপার অলঙ্কার ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

মসজিদের দোতলায় বসে টাকা গুনছেন মাদ্রাসার প্রায় আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থী। তাদের সহযোগিতায় কাজ করছেন রূপালী ব্যাংকের ৮০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী, মসজিদ কমিটির সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সবমিলিয়ে এই গণনায় অংশ নিয়েছেন প্রায় সাড়ে চার শতাধিক লোক।

গত ১২ এপ্রিল দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিল ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। তারও আগে, গত বছরের ৩০ নভেম্বর পাওয়া গিয়েছিল ৮ কোটি ২১ লাখ ৩৪ হাজার ৩০৪ টাকা।

এবারের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিশাল অংকের টাকা গণনাকে কেন্দ্র করে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুরো মসজিদ এলাকায় মোতায়েন রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। টাকা সংগ্রহ থেকে ব্যাংকে জমা পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন পুলিশ ও প্রশাসনের বিশেষ টিম। কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার হাছান মাহমুদ বলেন, ‘টাকা সংগ্রহ থেকে শুরু করে গণনা শেষে ব্যাংকে পাঠানো পর্যন্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করছে।