১১:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে ৬ নির্দেশনা

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তাসংক্রান্ত একটি পরিপূর্ণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন করে ৬ টি অতিরিক্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার প্রেক্ষাপটে যাত্রী, কর্মরত সদস্য এবং অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ নিরাপত্তা পর্যালোচনায় কিছু বাড়তি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে ভিআইপি ও ভিভিআইপি যাত্রীদের ব্যাগেজ স্ক্রিনিংয়ে এখন থেকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গৃহীত নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপসমূহ হলো-

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

১. ভিআইপি ও ভিভিআইপি ব্যাগ স্ক্রিনিংয়ে অধিকতর মনোযোগ প্রদান।

২. এভিয়েশন সিকিউরিটি সদস্যদের নিয়মিত সচেতনতামূলক ব্রিফিং ও নির্দেশনা প্রদান।

৩. সিসিটিভি মনিটরিং টিমকে বিশেষ নজরদারির নির্দেশনা প্রদান।

৪. মেটাল ডিটেক্টর ও এক্স-রে মেশিনে স্ক্যানের পর ‘হাই রিস্ক’ ব্যাগের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল তল্লাশি বাধ্যতামূলক।

৫. আগ্নেয়াস্ত্র বহনকারীদের জন্য বিমানবন্দরে প্রবেশের আগে পূর্বানুমতি নিশ্চিতকরণ এবং রেকর্ড সংরক্ষণ।

৬. কোনো ধরনের ‘সিকিউরিটি ব্রিচ’ ঘটলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত কমিটি গঠন এবং তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক নির্দেশনা প্রদান।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তাসংক্রান্ত একটি পরিপূর্ণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন করে ৬ টি অতিরিক্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার প্রেক্ষাপটে যাত্রী, কর্মরত সদস্য এবং অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ নিরাপত্তা পর্যালোচনায় কিছু বাড়তি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে ভিআইপি ও ভিভিআইপি যাত্রীদের ব্যাগেজ স্ক্রিনিংয়ে এখন থেকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গৃহীত নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপসমূহ হলো-

১. ভিআইপি ও ভিভিআইপি ব্যাগ স্ক্রিনিংয়ে অধিকতর মনোযোগ প্রদান।

২. এভিয়েশন সিকিউরিটি সদস্যদের নিয়মিত সচেতনতামূলক ব্রিফিং ও নির্দেশনা প্রদান।

৩. সিসিটিভি মনিটরিং টিমকে বিশেষ নজরদারির নির্দেশনা প্রদান।

৪. মেটাল ডিটেক্টর ও এক্স-রে মেশিনে স্ক্যানের পর ‘হাই রিস্ক’ ব্যাগের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল তল্লাশি বাধ্যতামূলক।

৫. আগ্নেয়াস্ত্র বহনকারীদের জন্য বিমানবন্দরে প্রবেশের আগে পূর্বানুমতি নিশ্চিতকরণ এবং রেকর্ড সংরক্ষণ।

৬. কোনো ধরনের ‘সিকিউরিটি ব্রিচ’ ঘটলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত কমিটি গঠন এবং তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক নির্দেশনা প্রদান।

জনপ্রিয় সংবাদ

শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে ৬ নির্দেশনা

প্রকাশিত : ১১:২১:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তাসংক্রান্ত একটি পরিপূর্ণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন করে ৬ টি অতিরিক্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার প্রেক্ষাপটে যাত্রী, কর্মরত সদস্য এবং অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ নিরাপত্তা পর্যালোচনায় কিছু বাড়তি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে ভিআইপি ও ভিভিআইপি যাত্রীদের ব্যাগেজ স্ক্রিনিংয়ে এখন থেকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গৃহীত নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপসমূহ হলো-

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

১. ভিআইপি ও ভিভিআইপি ব্যাগ স্ক্রিনিংয়ে অধিকতর মনোযোগ প্রদান।

২. এভিয়েশন সিকিউরিটি সদস্যদের নিয়মিত সচেতনতামূলক ব্রিফিং ও নির্দেশনা প্রদান।

৩. সিসিটিভি মনিটরিং টিমকে বিশেষ নজরদারির নির্দেশনা প্রদান।

৪. মেটাল ডিটেক্টর ও এক্স-রে মেশিনে স্ক্যানের পর ‘হাই রিস্ক’ ব্যাগের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল তল্লাশি বাধ্যতামূলক।

৫. আগ্নেয়াস্ত্র বহনকারীদের জন্য বিমানবন্দরে প্রবেশের আগে পূর্বানুমতি নিশ্চিতকরণ এবং রেকর্ড সংরক্ষণ।

৬. কোনো ধরনের ‘সিকিউরিটি ব্রিচ’ ঘটলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত কমিটি গঠন এবং তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক নির্দেশনা প্রদান।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তাসংক্রান্ত একটি পরিপূর্ণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন করে ৬ টি অতিরিক্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার প্রেক্ষাপটে যাত্রী, কর্মরত সদস্য এবং অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ নিরাপত্তা পর্যালোচনায় কিছু বাড়তি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে ভিআইপি ও ভিভিআইপি যাত্রীদের ব্যাগেজ স্ক্রিনিংয়ে এখন থেকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গৃহীত নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপসমূহ হলো-

১. ভিআইপি ও ভিভিআইপি ব্যাগ স্ক্রিনিংয়ে অধিকতর মনোযোগ প্রদান।

২. এভিয়েশন সিকিউরিটি সদস্যদের নিয়মিত সচেতনতামূলক ব্রিফিং ও নির্দেশনা প্রদান।

৩. সিসিটিভি মনিটরিং টিমকে বিশেষ নজরদারির নির্দেশনা প্রদান।

৪. মেটাল ডিটেক্টর ও এক্স-রে মেশিনে স্ক্যানের পর ‘হাই রিস্ক’ ব্যাগের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল তল্লাশি বাধ্যতামূলক।

৫. আগ্নেয়াস্ত্র বহনকারীদের জন্য বিমানবন্দরে প্রবেশের আগে পূর্বানুমতি নিশ্চিতকরণ এবং রেকর্ড সংরক্ষণ।

৬. কোনো ধরনের ‘সিকিউরিটি ব্রিচ’ ঘটলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত কমিটি গঠন এবং তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক নির্দেশনা প্রদান।