০৬:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে কক্সবাজারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় হামুনের বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করেছে। এটি দুর্বল হয়ে স্থল গভীর নিম্নচাপের আকারে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া হয়ে মিয়ানমারের দিকে চলে গেছে। যদিও হামুনের আঘাতে কক্সবাজারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে সমুদ্র উপকূলের কাছাকাছি এলাকাগুলোতে বাতাসের তীব্রতা ছিল খুব বেশি। ঝড়ের কবলে পড়ে কক্সবাজারে ইতোমধ্যে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া অসংখ্য ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুই জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে আরেকজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, শহরের পাহাড়তলীতে দেয়ালচাপায় আব্দুল খালেক নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আর মহেশখালীতে মাটিচাপায় হারাধন নামে আরেকজন মারা গেছেন। এ ছাড়া কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে আজগর আলী নামে একজন গাছচাপা পড়ে মারা গেছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া দেয়ালচাপা ও গাছপালা পড়ে আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এদিকে কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়ক, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরসহ অনেক এলাকায় ঝড়ের আঘাতে গাছ উপড়ে পড়ে। এতে সড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। সন্ধ্যার পর থেকে কক্সবাজার শহর ও আশেপাশের এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন রয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় হামুনে সৃষ্ট ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে জেলায় কাঁচা ঘরবাড়ি এবং গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কক্সবাজার শহরের সমিতিপাড়া, কুতুবদিয়া পাড়াসহ জেলার উপকূলীয় এলাকায় ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।’

বুধবার (২৫ অক্টোবর) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় হামুন গতকাল মঙ্গলবার দিনগত রাত ১টার দিকে কুতুবদিয়া অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করেছে। এটি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া হয়ে মিয়ানমারের দিকে চলে যাচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য এটি এখন গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। হামুন ঘূর্ণিঝড় পর্যায়ে থেকেই উপকূল অতিক্রম করেছে। এখন বাংলাদেশের জন্য কোনো আশঙ্কা নেই। এর প্রভাবে চট্টগ্রামে গতকাল সন্ধ্যা থেকে ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছি। হাতিয়া, সন্দ্বীপ, বান্দরনবান, খাগড়াছড়ি, টেকনাফসহ বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। এর প্রভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট আমরা পাইনি।’

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে কক্সবাজারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশিত : ১০:২৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় হামুনের বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করেছে। এটি দুর্বল হয়ে স্থল গভীর নিম্নচাপের আকারে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া হয়ে মিয়ানমারের দিকে চলে গেছে। যদিও হামুনের আঘাতে কক্সবাজারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে সমুদ্র উপকূলের কাছাকাছি এলাকাগুলোতে বাতাসের তীব্রতা ছিল খুব বেশি। ঝড়ের কবলে পড়ে কক্সবাজারে ইতোমধ্যে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া অসংখ্য ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুই জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে আরেকজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, শহরের পাহাড়তলীতে দেয়ালচাপায় আব্দুল খালেক নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আর মহেশখালীতে মাটিচাপায় হারাধন নামে আরেকজন মারা গেছেন। এ ছাড়া কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে আজগর আলী নামে একজন গাছচাপা পড়ে মারা গেছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া দেয়ালচাপা ও গাছপালা পড়ে আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এদিকে কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়ক, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরসহ অনেক এলাকায় ঝড়ের আঘাতে গাছ উপড়ে পড়ে। এতে সড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। সন্ধ্যার পর থেকে কক্সবাজার শহর ও আশেপাশের এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন রয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় হামুনে সৃষ্ট ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে জেলায় কাঁচা ঘরবাড়ি এবং গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কক্সবাজার শহরের সমিতিপাড়া, কুতুবদিয়া পাড়াসহ জেলার উপকূলীয় এলাকায় ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।’

বুধবার (২৫ অক্টোবর) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় হামুন গতকাল মঙ্গলবার দিনগত রাত ১টার দিকে কুতুবদিয়া অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করেছে। এটি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া হয়ে মিয়ানমারের দিকে চলে যাচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য এটি এখন গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। হামুন ঘূর্ণিঝড় পর্যায়ে থেকেই উপকূল অতিক্রম করেছে। এখন বাংলাদেশের জন্য কোনো আশঙ্কা নেই। এর প্রভাবে চট্টগ্রামে গতকাল সন্ধ্যা থেকে ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছি। হাতিয়া, সন্দ্বীপ, বান্দরনবান, খাগড়াছড়ি, টেকনাফসহ বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। এর প্রভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট আমরা পাইনি।’