০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

বিএনপি নেতা এ্যানিকে ৪ দিনের রিমান্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

পুলিশের কাজে বাধা ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রশিদুল আলমআদালত।

মঙ্গলবার গভীর রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে তুলে নেওয়ার পর বুধবার গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর ধানমন্ডি থানায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাতদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রশিদুল আলম তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৩ মে ধানমন্ডি সিটি কলেজের সামনে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের প্রায় ১০-১৫ হাজার নেতাকর্মী পদযাত্রা শেষে চলে যাচ্ছিলেন। এ সময় তারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, লাঠিসোঁটা, ইটপাটকেল ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুলিশের কাজে বাধা দেন।

এছাড়া পুলিশের ওপর আক্রমণ, সরকারকে উৎখাত ও জনসাধারণের জানমালের ক্ষতিসাধন, গণপরিবহন ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ত্রাস সৃষ্টি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড শুরু করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি নেতা এ্যানিকে ৪ দিনের রিমান্ড

প্রকাশিত : ০৪:৪৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

পুলিশের কাজে বাধা ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রশিদুল আলমআদালত।

মঙ্গলবার গভীর রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে তুলে নেওয়ার পর বুধবার গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর ধানমন্ডি থানায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাতদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রশিদুল আলম তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৩ মে ধানমন্ডি সিটি কলেজের সামনে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের প্রায় ১০-১৫ হাজার নেতাকর্মী পদযাত্রা শেষে চলে যাচ্ছিলেন। এ সময় তারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, লাঠিসোঁটা, ইটপাটকেল ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুলিশের কাজে বাধা দেন।

এছাড়া পুলিশের ওপর আক্রমণ, সরকারকে উৎখাত ও জনসাধারণের জানমালের ক্ষতিসাধন, গণপরিবহন ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ত্রাস সৃষ্টি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড শুরু করেন।