০১:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

সংকটে চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য

দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে চার দিন ধরে বন্ধ পণ্যবাহী পরিবহন। এতে সংকটে পড়েছে দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য। দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দরে গত চার দিন ধরে রফতানি কনটেইনার প্রবেশ কার্যত বন্ধ আছে। খালাস হলেও বন্দর থেকে বের হতে পারছে না আমদানি কনটেইনার জাহাজ। কনটেইনার ও পণ্যবাহী ট্যাংক লরি, প্রাইম মোভার, ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান চলাচল বন্ধ থাকায় বন্দরের ইয়ার্ডে ও বেসরকারি ডিপোতে কনটেইনারের স্তূপ জমেছে। এছাড়া রফতানি পণ্যবোঝাই কনটেইনার ফেলে দু’টি বিদেশি জাহাজ কলম্বোর উদ্দেশে চট্টগ্রাম বন্দর ত্যাগ করেছে।

তবে ব্যবসায়ীরা বলেছেন, এ অবস্থা আর দুই-তিন দিন অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতিতে বিপর্যয় দেখা দেবে। তাতে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ নিয়ে নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হবে এবং বাংলাদেশ রফতানির বাজার হারাবে।

অন্যদিকে বন্দরের বেসরকারি ডিপো সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পণ্যবাহী পরিবহন ধর্মঘট অব্যাহত থাকলে জাহাজ ও কনটেইনার জট তৈরি হবে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

সরকারি সিদ্ধান্তে গত বুধবার (৩ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বেড়েছে। এরপর বৃহস্পতিবার পরিবহন চালানো বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন এবং বাংলাদেশ ট্রাক-কভার্ড ভ্যান ড্রাইভার ইউনিয়ন। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার অথবা ভাড়া বাড়ানো না হলে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে সারাদেশে বাস ও পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে।

এ অবস্থায় সারাদেশের মতো বৃহত্তর চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় চলাচলকারী সব বাস এবং এর সঙ্গে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা সরাসরি যাওয়া দূরপাল্লার বাস চলাচল শুক্রবার সকাল থেকে বন্ধ হয়ে যায়। একইসঙ্গে পণ্য বহনকারী ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান, লরি-প্রাইম মোভার চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়। ভাড়া বাড়ানোর পর সোমবার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে গণপরিবহন চলাচল স্বাভাবিক হলেও পণ্য বহনকারী পরিবহন ধর্মঘট এখনও অব্যাহত আছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সংকটে চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য

প্রকাশিত : ০৯:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ নভেম্বর ২০২১

দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে চার দিন ধরে বন্ধ পণ্যবাহী পরিবহন। এতে সংকটে পড়েছে দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য। দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দরে গত চার দিন ধরে রফতানি কনটেইনার প্রবেশ কার্যত বন্ধ আছে। খালাস হলেও বন্দর থেকে বের হতে পারছে না আমদানি কনটেইনার জাহাজ। কনটেইনার ও পণ্যবাহী ট্যাংক লরি, প্রাইম মোভার, ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান চলাচল বন্ধ থাকায় বন্দরের ইয়ার্ডে ও বেসরকারি ডিপোতে কনটেইনারের স্তূপ জমেছে। এছাড়া রফতানি পণ্যবোঝাই কনটেইনার ফেলে দু’টি বিদেশি জাহাজ কলম্বোর উদ্দেশে চট্টগ্রাম বন্দর ত্যাগ করেছে।

তবে ব্যবসায়ীরা বলেছেন, এ অবস্থা আর দুই-তিন দিন অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতিতে বিপর্যয় দেখা দেবে। তাতে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ নিয়ে নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হবে এবং বাংলাদেশ রফতানির বাজার হারাবে।

অন্যদিকে বন্দরের বেসরকারি ডিপো সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পণ্যবাহী পরিবহন ধর্মঘট অব্যাহত থাকলে জাহাজ ও কনটেইনার জট তৈরি হবে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

সরকারি সিদ্ধান্তে গত বুধবার (৩ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বেড়েছে। এরপর বৃহস্পতিবার পরিবহন চালানো বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন এবং বাংলাদেশ ট্রাক-কভার্ড ভ্যান ড্রাইভার ইউনিয়ন। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার অথবা ভাড়া বাড়ানো না হলে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে সারাদেশে বাস ও পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে।

এ অবস্থায় সারাদেশের মতো বৃহত্তর চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় চলাচলকারী সব বাস এবং এর সঙ্গে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা সরাসরি যাওয়া দূরপাল্লার বাস চলাচল শুক্রবার সকাল থেকে বন্ধ হয়ে যায়। একইসঙ্গে পণ্য বহনকারী ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান, লরি-প্রাইম মোভার চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়। ভাড়া বাড়ানোর পর সোমবার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে গণপরিবহন চলাচল স্বাভাবিক হলেও পণ্য বহনকারী পরিবহন ধর্মঘট এখনও অব্যাহত আছে।