১১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

কার্বন নিঃসরণ কমাতে ঢাকা-গ্লাসগো এক পথে হাঁটবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৬:৩৯:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর ২০২১
  • 55

momen-

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলাসহ দেশের টেকসই উন্নয়নে আমরা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছি। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে আইএমএফ সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আমরা চাই কার্বন নিঃসরণ কমাতে ঢাকা-গ্লাসগো এক পথে হাঁটবে।

বুধবার (৩ নভেম্বর) গ্লাসগোর জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে গণমাধ্যম কর্মীদের এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, আমরা যেভাবে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করেছি, এ নিয়ে বিশ্ব নেতারা বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বর্তমান সরকারের সব পদক্ষেপের প্রশংসা করা হয়েছে এবারের কপ সম্মেলনে।

তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্বন নিঃসরণ কমাতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কথা মাথায় রেখেই ১০টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করেছি। আরও ছয়টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কীভাবে বন্ধ করা যায় সেই বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য ১০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল নিশ্চিত হবে কি না সে বিষয়টি এবারের সভায় আলোচনা হয়েছে।  অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস এসেছে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের আলোচনাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে। এ বিষয়ে নীতিগতভাবে অধিক কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলো আপত্তিও জানায়নি।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্বন নিঃসরণ কমাতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বন্ধ করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার কথা বিবেচনা করেই জলবায়ু মোকাবিলা করছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের এমন সিদ্ধান্তে উন্নত দেশগুলোর রাষ্ট্র প্রধানরা প্রশংসা করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

কার্বন নিঃসরণ কমাতে ঢাকা-গ্লাসগো এক পথে হাঁটবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৬:৩৯:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর ২০২১

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলাসহ দেশের টেকসই উন্নয়নে আমরা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছি। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে আইএমএফ সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আমরা চাই কার্বন নিঃসরণ কমাতে ঢাকা-গ্লাসগো এক পথে হাঁটবে।

বুধবার (৩ নভেম্বর) গ্লাসগোর জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে গণমাধ্যম কর্মীদের এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, আমরা যেভাবে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করেছি, এ নিয়ে বিশ্ব নেতারা বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বর্তমান সরকারের সব পদক্ষেপের প্রশংসা করা হয়েছে এবারের কপ সম্মেলনে।

তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্বন নিঃসরণ কমাতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কথা মাথায় রেখেই ১০টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করেছি। আরও ছয়টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কীভাবে বন্ধ করা যায় সেই বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য ১০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল নিশ্চিত হবে কি না সে বিষয়টি এবারের সভায় আলোচনা হয়েছে।  অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস এসেছে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের আলোচনাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে। এ বিষয়ে নীতিগতভাবে অধিক কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলো আপত্তিও জানায়নি।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্বন নিঃসরণ কমাতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বন্ধ করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার কথা বিবেচনা করেই জলবায়ু মোকাবিলা করছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের এমন সিদ্ধান্তে উন্নত দেশগুলোর রাষ্ট্র প্রধানরা প্রশংসা করেছেন।