০৯:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

মামুনুল হকে নিয়ে লাইভ করা পুলিশের সেই এসআই সাসপেন্ড

মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষ নিয়ে ফেইসবুকে লাইভ করা কুষ্টিয়ার ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত গোলাম রাব্বানী নামে একজন (এসআই) পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, গতকাল মামুনুল হক সাহেবের একটি ভিডিও দেখলাম। যে ভিডিওতে দেখা গেছে, স্ত্রীকে নিয়ে একটা রিসোর্টে বেড়াতে গেছেন তিনি। অধিকাংশ সাংবাদিক সেখানে চিল্লাপাল্লা করে তার কাবিননামা দেখতে চাচ্ছে।

আমার প্রশ্ন, সাংবাদিককে এই অধিকার কে দিয়েছে। আপনি যে কাবিননামা দেখবেন, আপনাকে এই অধিকার কি রাষ্ট্র দিয়েছে? আমি তো পুলিশের চাকরি করি, আমার জানা নাই। ভণ্ডামির একটা সীমা থাকা দরকার। যদি স্ত্রী ব্যতীত অন্য কাউকে নিয়ে যেতো, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতো। মিডিয়ার মাধ্যমে এমন একটা আলেম মানুষকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ ধরনের হেনস্তা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এই বক্তব্য ভাইরাল হওয়ার পর কুষ্টিয়ার ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত ওই পুলিশ সদস্যকে রোববার (০৪ এপ্রিল) সাসপেন্ড করা হয়। এবং পরবর্তীতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এ বিষয়ে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. মুহিদ উদ্দিন বলেন, গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে এরই মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রত্যাহার করে তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। পেশার বাইরে গিয়ে কেন অপেশাদার আচরণ করেছে- এটা জানতে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার ও ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।

জানা গেছে, এএসআই গোলাম রাব্বানীর গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর। পার্বতীপুর আদর্শ ডিগ্রি কলেজে তিনি পড়াশোনা করেন। যখন মামুনুল হকের পক্ষে লাইভ করছিলেন, তখনও তিনি পুলিশের পোশাক পরিহিত ছিলেন। তিনি এ সময় মিডিয়া ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মামুনুল হকে নিয়ে লাইভ করা পুলিশের সেই এসআই সাসপেন্ড

প্রকাশিত : ১১:০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ এপ্রিল ২০২১

মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষ নিয়ে ফেইসবুকে লাইভ করা কুষ্টিয়ার ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত গোলাম রাব্বানী নামে একজন (এসআই) পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, গতকাল মামুনুল হক সাহেবের একটি ভিডিও দেখলাম। যে ভিডিওতে দেখা গেছে, স্ত্রীকে নিয়ে একটা রিসোর্টে বেড়াতে গেছেন তিনি। অধিকাংশ সাংবাদিক সেখানে চিল্লাপাল্লা করে তার কাবিননামা দেখতে চাচ্ছে।

আমার প্রশ্ন, সাংবাদিককে এই অধিকার কে দিয়েছে। আপনি যে কাবিননামা দেখবেন, আপনাকে এই অধিকার কি রাষ্ট্র দিয়েছে? আমি তো পুলিশের চাকরি করি, আমার জানা নাই। ভণ্ডামির একটা সীমা থাকা দরকার। যদি স্ত্রী ব্যতীত অন্য কাউকে নিয়ে যেতো, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতো। মিডিয়ার মাধ্যমে এমন একটা আলেম মানুষকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ ধরনের হেনস্তা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এই বক্তব্য ভাইরাল হওয়ার পর কুষ্টিয়ার ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত ওই পুলিশ সদস্যকে রোববার (০৪ এপ্রিল) সাসপেন্ড করা হয়। এবং পরবর্তীতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এ বিষয়ে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. মুহিদ উদ্দিন বলেন, গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে এরই মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রত্যাহার করে তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। পেশার বাইরে গিয়ে কেন অপেশাদার আচরণ করেছে- এটা জানতে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার ও ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।

জানা গেছে, এএসআই গোলাম রাব্বানীর গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর। পার্বতীপুর আদর্শ ডিগ্রি কলেজে তিনি পড়াশোনা করেন। যখন মামুনুল হকের পক্ষে লাইভ করছিলেন, তখনও তিনি পুলিশের পোশাক পরিহিত ছিলেন। তিনি এ সময় মিডিয়া ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেন।