০৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ন্যাশনাল ব্যাংককে বাঁচাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ তহবিল ছাড়

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০২:১২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 133

দেশের অন্যতম পুরনো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড তীব্র তারল্য সংকটে পড়ায় ১ হাজার কোটি টাকার বিশেষ সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গ্রাহকদের বাড়তি নগদ অর্থের চাহিদা মেটাতে এই জরুরি তহবিল দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বার্ষিক ১১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদে ৯০ দিনের জন্য এই অর্থ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আমানত প্রবাহ কমে যাওয়া এবং ঋণ আদায় সন্তোষজনক না হওয়ায় দৈনন্দিন লেনদেন পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছিল। ঈদের আগে সাধারণত নগদ উত্তোলন কয়েকগুণ বেড়ে যায়, কিন্তু সে তুলনায় পর্যাপ্ত অর্থ মজুদ ছিল না। এ অবস্থায় ‘ডিমান্ড প্রমিসরি (ডিপি) নোট’-এর বিপরীতে জরুরি তহবিলের আবেদন করা হলে বাংলাদেশ ব্যাংক তা অনুমোদন করে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

গত দেড় দশকে রাজনৈতিক প্রভাব ও নানা অনিয়মের অভিযোগে ব্যাংকটি দুর্বল হয়ে পড়ে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণে ছিল সিকদার গ্রুপ। পরে ২০২৩ সালে পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হলেও আর্থিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। ২০২৪ সালের মে মাসে চট্টগ্রামভিত্তিক এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন পর্ষদ গঠিত হলেও দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার প্রভাব এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি ব্যাংকটি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যাশনাল ব্যাংককে বাঁচাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ তহবিল ছাড়

প্রকাশিত : ০২:১২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের অন্যতম পুরনো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড তীব্র তারল্য সংকটে পড়ায় ১ হাজার কোটি টাকার বিশেষ সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গ্রাহকদের বাড়তি নগদ অর্থের চাহিদা মেটাতে এই জরুরি তহবিল দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বার্ষিক ১১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদে ৯০ দিনের জন্য এই অর্থ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আমানত প্রবাহ কমে যাওয়া এবং ঋণ আদায় সন্তোষজনক না হওয়ায় দৈনন্দিন লেনদেন পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছিল। ঈদের আগে সাধারণত নগদ উত্তোলন কয়েকগুণ বেড়ে যায়, কিন্তু সে তুলনায় পর্যাপ্ত অর্থ মজুদ ছিল না। এ অবস্থায় ‘ডিমান্ড প্রমিসরি (ডিপি) নোট’-এর বিপরীতে জরুরি তহবিলের আবেদন করা হলে বাংলাদেশ ব্যাংক তা অনুমোদন করে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

গত দেড় দশকে রাজনৈতিক প্রভাব ও নানা অনিয়মের অভিযোগে ব্যাংকটি দুর্বল হয়ে পড়ে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণে ছিল সিকদার গ্রুপ। পরে ২০২৩ সালে পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হলেও আর্থিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। ২০২৪ সালের মে মাসে চট্টগ্রামভিত্তিক এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন পর্ষদ গঠিত হলেও দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার প্রভাব এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি ব্যাংকটি।