১১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ধ্বংসস্তূপের মাঝে সিরিয়া: সংঘাতের জেরে আবারও শুরু হলো গণ-পলায়ন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ১০:৪৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • 151

সিরিয়ার আলেপ্পোয় কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) সঙ্গে সেনাবাহিনীর সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। প্রাণ বাঁচাতে আলেপ্পো ছেড়ে পালাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। বুধবার রাতে কর্তৃপক্ষ জানায়, সংঘর্ষের কারণে শহরের ৪৫ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এদের মধ্যে বেশির ভাগই উত্তর-পশ্চিমে আফরিনের উপত্যকার দিকে যাচ্ছে।

অনেকে সিরিয়ার সেনাবাহিনীর তৈরি করা মানবিক করিডর দিয়ে পায়ে হেঁটে আলেপ্পো ছাড়ছে। তারা কখন ফিরে আসতে পারবে, তা নিশ্চিত নয়।

আলেপ্পোর বাসিন্দা আহমেদ জানান, ‘আমরা সংঘর্ষ থেকে পালিয়ে এসেছি, জানি না কোথায় যাব।’

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

আরেক বাস্তুচ্যুত বাসিন্দা ৪১ বছর বয়সি আম্মার রাজি বলেন, ‘তিনি ও তার পরিবার দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। আমার ছয় সন্তান আছে, যার মধ্যে দুটি ছোট বাচ্চাও রয়েছে। আমরা আর ফিরে আসব কি না, জানি না।’

একজন কর্মকর্তার মতে, মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৯ জন। বুধবার আলেপ্পোর স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারি অফিসও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আলেপ্পো বিমানবন্দরে ফ্লাইট স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ধ্বংসস্তূপের মাঝে সিরিয়া: সংঘাতের জেরে আবারও শুরু হলো গণ-পলায়ন

প্রকাশিত : ১০:৪৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

সিরিয়ার আলেপ্পোয় কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) সঙ্গে সেনাবাহিনীর সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। প্রাণ বাঁচাতে আলেপ্পো ছেড়ে পালাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। বুধবার রাতে কর্তৃপক্ষ জানায়, সংঘর্ষের কারণে শহরের ৪৫ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এদের মধ্যে বেশির ভাগই উত্তর-পশ্চিমে আফরিনের উপত্যকার দিকে যাচ্ছে।

অনেকে সিরিয়ার সেনাবাহিনীর তৈরি করা মানবিক করিডর দিয়ে পায়ে হেঁটে আলেপ্পো ছাড়ছে। তারা কখন ফিরে আসতে পারবে, তা নিশ্চিত নয়।

আলেপ্পোর বাসিন্দা আহমেদ জানান, ‘আমরা সংঘর্ষ থেকে পালিয়ে এসেছি, জানি না কোথায় যাব।’

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

আরেক বাস্তুচ্যুত বাসিন্দা ৪১ বছর বয়সি আম্মার রাজি বলেন, ‘তিনি ও তার পরিবার দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। আমার ছয় সন্তান আছে, যার মধ্যে দুটি ছোট বাচ্চাও রয়েছে। আমরা আর ফিরে আসব কি না, জানি না।’

একজন কর্মকর্তার মতে, মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৯ জন। বুধবার আলেপ্পোর স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারি অফিসও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আলেপ্পো বিমানবন্দরে ফ্লাইট স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।