১১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

কাতারে চালু হলো মকবুল ফিদা হুসেনের জাদুঘর

ভারতীয় শিল্পী মকবুল ফিদা হুসেনের চিত্রকর্ম নিয়ে কাতারের দোহায় একটি জাদুঘর উদ্বোধন করা হয়েছে। গত রোববার ‘লাওহ ওয়া কলম: এম. এফ. হুসেন মিউজিয়াম’ নামে জাদুঘরটি খোলা হয়েছে। ‘লাওহ ওয়া কলম’-এর অর্থ হচ্ছে, ‘ক্যানভাস ও কলম’।

কাতার ফাউন্ডেশনের এডুকেশন সিটিতে তিন হাজার বর্গমিটারের বেশি জায়গাজুড়ে দৃষ্টিনন্দন এ জাদুঘরটি তৈরি হয়েছে। এখানে মকবুল ফিদার জীবনের শেষ কয়েক বছরের ১৫০টির বেশি মূল চিত্রকর্ম ও ব্যক্তিগত সংগ্রহ রয়েছে। তাঁকে নিয়ে বিশ্বে এটিই প্রথম জাদুঘর। সারাজীবনে তিনি ৪০ হাজারের বেশি শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন।

কাতার ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খা মোজা বিনতে নাসের ‘লাওহ ওয়া কলম: এম. এফ. হুসেন’ মিউজিয়ামের উদ্বোধন করেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

শুক্রবার জাদুঘরটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। মকবুল ফিদার একটি স্কেচের নকশা অনুযায়ী জাদুঘরটি তৈরি করা হয়েছে। এই স্কেচ ধরে স্থপতি মারতান্দ খোসলা জাদুঘরটির চূড়ান্ত নকশা করেছেন।

তিনি বলেন, নিজের কাজ সংরক্ষণ করার জন্য মকবুল ফিদা নিজেই জাদুঘরের একটি স্কেচ করেছিলেন। স্কেচের চারপাশে কিছু নির্দেশনাও লিখে ছিলেন। খবর- আলজাজিরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারে চালু হলো মকবুল ফিদা হুসেনের জাদুঘর

প্রকাশিত : ১২:৩১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ভারতীয় শিল্পী মকবুল ফিদা হুসেনের চিত্রকর্ম নিয়ে কাতারের দোহায় একটি জাদুঘর উদ্বোধন করা হয়েছে। গত রোববার ‘লাওহ ওয়া কলম: এম. এফ. হুসেন মিউজিয়াম’ নামে জাদুঘরটি খোলা হয়েছে। ‘লাওহ ওয়া কলম’-এর অর্থ হচ্ছে, ‘ক্যানভাস ও কলম’।

কাতার ফাউন্ডেশনের এডুকেশন সিটিতে তিন হাজার বর্গমিটারের বেশি জায়গাজুড়ে দৃষ্টিনন্দন এ জাদুঘরটি তৈরি হয়েছে। এখানে মকবুল ফিদার জীবনের শেষ কয়েক বছরের ১৫০টির বেশি মূল চিত্রকর্ম ও ব্যক্তিগত সংগ্রহ রয়েছে। তাঁকে নিয়ে বিশ্বে এটিই প্রথম জাদুঘর। সারাজীবনে তিনি ৪০ হাজারের বেশি শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন।

কাতার ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খা মোজা বিনতে নাসের ‘লাওহ ওয়া কলম: এম. এফ. হুসেন’ মিউজিয়ামের উদ্বোধন করেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

শুক্রবার জাদুঘরটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। মকবুল ফিদার একটি স্কেচের নকশা অনুযায়ী জাদুঘরটি তৈরি করা হয়েছে। এই স্কেচ ধরে স্থপতি মারতান্দ খোসলা জাদুঘরটির চূড়ান্ত নকশা করেছেন।

তিনি বলেন, নিজের কাজ সংরক্ষণ করার জন্য মকবুল ফিদা নিজেই জাদুঘরের একটি স্কেচ করেছিলেন। স্কেচের চারপাশে কিছু নির্দেশনাও লিখে ছিলেন। খবর- আলজাজিরা।