০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

১০০ বছর চেষ্টার পর ম্যালেরিয়া ভ্যাকসিনে সফল বিজ্ঞানীরা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০১:৪১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১
  • 77

আফ্রিকার তিনটি দেশে ম্যালেরিয়ার আরটিএস,এস টিকা সফল পাইলট প্রকল্পের পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. টেড্রস আধানম গেব্রিয়েসাস বলেন, আজ একটি ঐতিহাসিক দিন।

টেড্রস জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ম্যালেরিয়া গবেষক হিসেবে আমার কর্মজীবন শুরু করেছিলাম। আমি এই পুরনো ও ভয়ানক রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর টিকা আবিষ্কারের অপেক্ষায় ছিলাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আজ প্রথমবারের মতো বিশ্ব জুড়ে ম্যালেরিয়ার টিকা ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে।

আরটিএস,এস টিকাটি মস্কিরিক্স নামে পরিচিত যা ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন  আবিষ্কার করেছে। ২০১৯ সাল থেকে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ঘানা, কেনিয়া ও মালাউইয়ের আট লাখের বেশি শিশুর ওপর এর প্রয়োগ করা হয়েছে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

গত আগস্টে লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের নেতৃত্বে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যখন ছোট বাচ্চাদের আরটিএস,এস ও অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধ দেওয়া হয় তখন এটি হাসপাতালে ভর্তি বা মৃত্যুর হার ৭০ শতাংশ কমিয়ে দিতে সক্ষম।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনার ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন, তাদের তৈরি একটি টিকা ডব্লিউএইচও লক্ষ্যমাত্রার ৭৫ শতাংশ কার্যকারিতা পূরণে সক্ষম।

বুরকিনা ফাসোর সাড়ে চারশ শিশুর ওপর ১২ মাসের বেশি সময় ধরে চলা পরীক্ষায় এই টিকার ৭৭ শতাংশ কার্যকারিতা পাওয়া গেছে। বর্তমানে চারটি দেশের ৪ হাজার ৮০০ শিশুর ওপর বৃহৎ আকারে পরীক্ষা চলছে।

ম্যালেরিয়ার মূলে রয়েছে প্লাজমোডিয়াম গোত্রের পরজীবী। আরটিএস,এস টিকা শিশুদের শরীরে প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরামের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

১০০ বছর চেষ্টার পর ম্যালেরিয়া ভ্যাকসিনে সফল বিজ্ঞানীরা

প্রকাশিত : ০১:৪১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১

আফ্রিকার তিনটি দেশে ম্যালেরিয়ার আরটিএস,এস টিকা সফল পাইলট প্রকল্পের পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. টেড্রস আধানম গেব্রিয়েসাস বলেন, আজ একটি ঐতিহাসিক দিন।

টেড্রস জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ম্যালেরিয়া গবেষক হিসেবে আমার কর্মজীবন শুরু করেছিলাম। আমি এই পুরনো ও ভয়ানক রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর টিকা আবিষ্কারের অপেক্ষায় ছিলাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আজ প্রথমবারের মতো বিশ্ব জুড়ে ম্যালেরিয়ার টিকা ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে।

আরটিএস,এস টিকাটি মস্কিরিক্স নামে পরিচিত যা ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন  আবিষ্কার করেছে। ২০১৯ সাল থেকে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ঘানা, কেনিয়া ও মালাউইয়ের আট লাখের বেশি শিশুর ওপর এর প্রয়োগ করা হয়েছে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

গত আগস্টে লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের নেতৃত্বে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যখন ছোট বাচ্চাদের আরটিএস,এস ও অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধ দেওয়া হয় তখন এটি হাসপাতালে ভর্তি বা মৃত্যুর হার ৭০ শতাংশ কমিয়ে দিতে সক্ষম।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনার ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন, তাদের তৈরি একটি টিকা ডব্লিউএইচও লক্ষ্যমাত্রার ৭৫ শতাংশ কার্যকারিতা পূরণে সক্ষম।

বুরকিনা ফাসোর সাড়ে চারশ শিশুর ওপর ১২ মাসের বেশি সময় ধরে চলা পরীক্ষায় এই টিকার ৭৭ শতাংশ কার্যকারিতা পাওয়া গেছে। বর্তমানে চারটি দেশের ৪ হাজার ৮০০ শিশুর ওপর বৃহৎ আকারে পরীক্ষা চলছে।

ম্যালেরিয়ার মূলে রয়েছে প্লাজমোডিয়াম গোত্রের পরজীবী। আরটিএস,এস টিকা শিশুদের শরীরে প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরামের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করবে।