১২:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের চার ধাপ অগ্রগতি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ১০:৪৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • 130

গণতান্ত্রিক সূচক র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী অগ্রগতি বজায় রেখে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্সের সর্বশেষ গণতন্ত্র সূচক ২০২০-এ চার ধাপ এগিয়েছে। দি ইকোনমিস্ট গ্রুপের গবেষণা ও বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দশের স্কেলে বাংলাদেশ সামগ্রিক ৫.৯৯ স্কোর নিয়ে ৭৬তম স্থানে রয়েছে।

বাংলাদেশ নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও বহুত্ববাদ বিভাগে অর্জন করেছে ৭.৪২, রাজনৈতিক অংশগ্রহণে ৬.১১, রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ৫.৬৩ , সরকারের কার্যকারিতায় ৬.০৭, এবং নাগরিক স্বাধীনতায় ৪.৭১ স্কোর অর্জন করেছে।

ইআইইউ ডেমোক্রেসি ইনডেক্স ২০১৯ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশ যথাক্রমে ৮০তম ও ৮৮তম স্থানে ছিলো।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

২০২০ সালের গণতন্ত্র সূচকে ১৬৭টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে ৭৫টি বা মোটের ৪৪.৯ শতাংশকে মডেল দ্বারা গণতন্ত্র বিবেচিত হয়। ২০২০ সালে ‘পূর্ণ গণতন্ত্র’ সংখ্যা ২০১৯-এর ২২ থেকে বেড়ে ২৩ হয়েছে।

২০২০ সালে মোট ১৬৭টি দেশের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ ১১৬টি দেশের মোট স্কোর ২০১৯ এর তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। ৩৮টি দেশের মোট স্কোর ২০১৯-এর তুলনায় বেড়েছে এবং ১৩টি দেশের স্কোর অপরিবর্তিত রয়েছে।

ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্র’-এর সংখ্যা দু’ট কমে ৫২টিতে দাঁড়িয়েছে। বাকি সূচকের ৯২টি দেশের মধ্যে ৫৭ হলো ‘স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা’, যা ২০১৯-এর ৫৪ টির চেয়ে ৩টি বেশি। ৩৫টি দেশকে ‘হাইব্রিড সিস্টেম’ বা ‘সংকর সরকার’ হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে, যা ২০১৯ সালের ৩৭টির চেয়ে কম।

২০২০ সালে বিশ্বব্যপী করোনভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গণতন্ত্র সূচকের গড় বৈশ্বিক স্কোর ২০১৯ সালের ৫.৪৪ থেকে কমে ৫.৩৭-এ সেমে এসেছে। এটি ২০০৬ সালে সূচকটি চালু হওয়ার পর এ পর্যন্ত সবচেয়ে খারাপ আন্তর্জাতিক স্কোর।

২০২০ সালে গণতন্ত্র সূচকের এ অবনতির একমাত্র কারণ না হলেও প্রধান কারণ হলো করোনা ভাইরাস মহামারীর প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকারগুলো কর্তৃক স্বাধীনতা ও নাগরিক স্বাধীনতার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ।

আরো পড়ুন- মিয়ানমারের ২৪ মন্ত্রী বরখাস্ত, নতুন মন্ত্রী সেনা কর্মকর্তারা

গণতন্ত্র সূচক পাঁচটি বিভাগের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়: নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও বহুত্ববাদ, সরকারের কার্যকারিতা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং নাগরিক স্বাধীনতা। এই বিভাগগুলির মধ্যে বেশ কিছু সূচকের স্কোরের ওপর ভিত্তি করে প্রতিটি দেশটি চার ধরনের শাসন ব্যবস্থার মধ্যে একটি হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয় হয় : পূর্ণ গণতন্ত্র, ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্র, হাইব্রিড বা সংকর সরকার ও স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা।- বাসস

 

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের চার ধাপ অগ্রগতি

প্রকাশিত : ১০:৪৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

গণতান্ত্রিক সূচক র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী অগ্রগতি বজায় রেখে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্সের সর্বশেষ গণতন্ত্র সূচক ২০২০-এ চার ধাপ এগিয়েছে। দি ইকোনমিস্ট গ্রুপের গবেষণা ও বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দশের স্কেলে বাংলাদেশ সামগ্রিক ৫.৯৯ স্কোর নিয়ে ৭৬তম স্থানে রয়েছে।

বাংলাদেশ নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও বহুত্ববাদ বিভাগে অর্জন করেছে ৭.৪২, রাজনৈতিক অংশগ্রহণে ৬.১১, রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ৫.৬৩ , সরকারের কার্যকারিতায় ৬.০৭, এবং নাগরিক স্বাধীনতায় ৪.৭১ স্কোর অর্জন করেছে।

ইআইইউ ডেমোক্রেসি ইনডেক্স ২০১৯ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশ যথাক্রমে ৮০তম ও ৮৮তম স্থানে ছিলো।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

২০২০ সালের গণতন্ত্র সূচকে ১৬৭টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে ৭৫টি বা মোটের ৪৪.৯ শতাংশকে মডেল দ্বারা গণতন্ত্র বিবেচিত হয়। ২০২০ সালে ‘পূর্ণ গণতন্ত্র’ সংখ্যা ২০১৯-এর ২২ থেকে বেড়ে ২৩ হয়েছে।

২০২০ সালে মোট ১৬৭টি দেশের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ ১১৬টি দেশের মোট স্কোর ২০১৯ এর তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। ৩৮টি দেশের মোট স্কোর ২০১৯-এর তুলনায় বেড়েছে এবং ১৩টি দেশের স্কোর অপরিবর্তিত রয়েছে।

ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্র’-এর সংখ্যা দু’ট কমে ৫২টিতে দাঁড়িয়েছে। বাকি সূচকের ৯২টি দেশের মধ্যে ৫৭ হলো ‘স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা’, যা ২০১৯-এর ৫৪ টির চেয়ে ৩টি বেশি। ৩৫টি দেশকে ‘হাইব্রিড সিস্টেম’ বা ‘সংকর সরকার’ হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে, যা ২০১৯ সালের ৩৭টির চেয়ে কম।

২০২০ সালে বিশ্বব্যপী করোনভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গণতন্ত্র সূচকের গড় বৈশ্বিক স্কোর ২০১৯ সালের ৫.৪৪ থেকে কমে ৫.৩৭-এ সেমে এসেছে। এটি ২০০৬ সালে সূচকটি চালু হওয়ার পর এ পর্যন্ত সবচেয়ে খারাপ আন্তর্জাতিক স্কোর।

২০২০ সালে গণতন্ত্র সূচকের এ অবনতির একমাত্র কারণ না হলেও প্রধান কারণ হলো করোনা ভাইরাস মহামারীর প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকারগুলো কর্তৃক স্বাধীনতা ও নাগরিক স্বাধীনতার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ।

আরো পড়ুন- মিয়ানমারের ২৪ মন্ত্রী বরখাস্ত, নতুন মন্ত্রী সেনা কর্মকর্তারা

গণতন্ত্র সূচক পাঁচটি বিভাগের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়: নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও বহুত্ববাদ, সরকারের কার্যকারিতা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং নাগরিক স্বাধীনতা। এই বিভাগগুলির মধ্যে বেশ কিছু সূচকের স্কোরের ওপর ভিত্তি করে প্রতিটি দেশটি চার ধরনের শাসন ব্যবস্থার মধ্যে একটি হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয় হয় : পূর্ণ গণতন্ত্র, ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্র, হাইব্রিড বা সংকর সরকার ও স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা।- বাসস