০৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

নোয়াখালীতে হাম উপসর্গে শিশুর মৃত্যু

২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে হাম উপসর্গে মো. সামিত নামের ৭ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এটি জেলায় হাম উপসর্গে প্রথম মৃত্যু। এছাড়া হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছে আরও ১৯ রোগী।

রোববার (২৪ মে) ভোর সোয়া ৪টার দিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ওই শিশুর মৃত্যু হয়।

জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

সামিত জেলার সুবর্ণচর উপজেলার কাটাখালি গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে।

চিকিৎসকরা জানান, শনিবার দুপুরে হাম উপসর্গ নিয়ে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয় সামিতকে। চিকিৎসাধীন রোববার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এপ্রিল মাসের প্রথম থেকে এ পর্যন্ত জেলায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯১৫ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে মৃত্যুর কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে বেশ কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে স্থানান্তর করা হয়েছিল। বর্তমানে হাসপাতালের আইসোলেশনে ১২০ শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ২০ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হচ্ছে। তবে বেড ও ওষুধের সংকট রয়েছে তীব্র। ফলে অভিভাবকদের বেশিরভাগ ওষুধ কিনতে হচ্ছে হাসপাতালের বাইরে থেকে। এছাড়া চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফ সংকট থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা।

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে হাম উপসর্গে শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত : ১২:৪৩:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে হাম উপসর্গে মো. সামিত নামের ৭ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এটি জেলায় হাম উপসর্গে প্রথম মৃত্যু। এছাড়া হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছে আরও ১৯ রোগী।

রোববার (২৪ মে) ভোর সোয়া ৪টার দিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ওই শিশুর মৃত্যু হয়।

জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

সামিত জেলার সুবর্ণচর উপজেলার কাটাখালি গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে।

চিকিৎসকরা জানান, শনিবার দুপুরে হাম উপসর্গ নিয়ে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয় সামিতকে। চিকিৎসাধীন রোববার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এপ্রিল মাসের প্রথম থেকে এ পর্যন্ত জেলায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯১৫ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে মৃত্যুর কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে বেশ কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে স্থানান্তর করা হয়েছিল। বর্তমানে হাসপাতালের আইসোলেশনে ১২০ শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ২০ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হচ্ছে। তবে বেড ও ওষুধের সংকট রয়েছে তীব্র। ফলে অভিভাবকদের বেশিরভাগ ওষুধ কিনতে হচ্ছে হাসপাতালের বাইরে থেকে। এছাড়া চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফ সংকট থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা।