০১:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসান পদত্যাগ করেছেন

দুর্নীতি, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগের মুখে পদত্যাগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি তার পদত্যাগপত্রটি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করেন। সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে ওই বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছিল। শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে এই আবেদন করেন। আবেদনে অভিযোগগুলো তদন্ত করার অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধান অনুযায়ী যেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার কার্যধারায় অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। একটি মামলার শুনানিতে সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও রায়ে তার নামে কাল্পনিক যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আপিল বিভাগে বাতিল হয়ে যায়। অন্য একটি মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে কোনো প্রকার পক্ষ না করেই তাঁর মালিকানাধীন ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী বলে আবেদনকারী দাবি করেছেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

আইনি মহলের মতে, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের তদন্ত চলাকালীন বা শুরুর মুখে বিচারপতির এই পদত্যাগ বিচারিক অঙ্গনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। উচ্চ আদালতের স্বচ্ছতা ও মর্যাদা রক্ষায় এ ধরনের অভিযোগ ও তার পরিণতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসান পদত্যাগ করেছেন

প্রকাশিত : ১১:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

দুর্নীতি, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগের মুখে পদত্যাগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি তার পদত্যাগপত্রটি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করেন। সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে ওই বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছিল। শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে এই আবেদন করেন। আবেদনে অভিযোগগুলো তদন্ত করার অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধান অনুযায়ী যেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার কার্যধারায় অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। একটি মামলার শুনানিতে সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও রায়ে তার নামে কাল্পনিক যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আপিল বিভাগে বাতিল হয়ে যায়। অন্য একটি মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে কোনো প্রকার পক্ষ না করেই তাঁর মালিকানাধীন ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী বলে আবেদনকারী দাবি করেছেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

আইনি মহলের মতে, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের তদন্ত চলাকালীন বা শুরুর মুখে বিচারপতির এই পদত্যাগ বিচারিক অঙ্গনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। উচ্চ আদালতের স্বচ্ছতা ও মর্যাদা রক্ষায় এ ধরনের অভিযোগ ও তার পরিণতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।