২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাযজ্ঞের নতুন তথ্য জাতীয় স্বাধীন কমিশনে উঠে এসেছে। সাক্ষী মেজর সৈয়দ মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তখন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা শেখ ফজলে নূর তাপস ফোনে যুবক জুয়েলকে মিছিলের মাধ্যমে বিডিআরে ঢুকতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জুয়েল স্বীকার করেছেন, তাপসের নির্দেশেই তিনি মিছিল নিয়ে ভিতরে ঢুকেছিলেন। বের হওয়ার সময় মিছিলে বহুসংখ্যক যুবলীগের সদস্য অংশ নেয়। মেজর মনির এই তথ্য লে. কর্নেল সালেহকে জানান।
🟥 হত্যাযজ্ঞের নেপথ্য চিত্র
সাক্ষী জানিয়েছেন, ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল হাকিম আজিজ ও মেজর মনির এপিসি নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করেন। গেইট থেকে দুইশত গজ ভেতরে পৌঁছালে তারা মেজর জেনারেল (অব.) তারেক সিদ্দিককে দেখতে পান। এপিসি প্রবেশ করায় তারেক সিদ্দিক প্রচণ্ড ক্ষোভে ব্রিগেডিয়ার হাকিমকে গালিগালাজ করেন।
লো. কর্নেল আলমাস রাইসুল গনি একটি ওভারঅল রিপোর্ট তৈরি করেন, যেখানে ঘটনার ফ্যাক্ট, ইনসিডেন্ট ও ফাইন্ডিংস বিস্তারিত উল্লেখ ছিল। তবে সরকারপক্ষে রিপোর্টটি গ্রহণযোগ্য ছিল না। মেজর মনির মনে করেন, রিপোর্ট জমা দেয়ার পর আলমাস রাইসুল গনির অবস্থান দুর্বল হয়ে যায়।
🟥 পিলখানা হত্যাকাণ্ড: রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের নীলনকশা
পিলখানায় বিদ্রোহী জওয়ানদের হামলায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সাক্ষীর তথ্য অনুযায়ী, হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যে রাজনৈতিক শক্তির সরাসরি জড়িততা ও আন্তর্জাতিক স্বার্থের ছায়া স্পষ্ট।
অনলাইন ডেস্ক 























