জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার রায় কার্যক্রম সরাসরি টিএসসিতে সম্প্রচার করা হচ্ছে। রায় শুনতে টিএসসিতে জড়ো হয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার দুপুর থেকে টিএসসিতে বড় পর্দায় রায় কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)।
এর আগে দুপুর পৌনে ১টার দিকে ট্রাইবুনালের রায় পড়া শুরু হয়। রায় ঘোষণার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করছে বাংলাদেশ টেলিভিশন। সেটি বড় পর্দায় টিএসসিতে প্রদর্শন হচ্ছে।
দুপুর একটায় দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা চেয়ার পেতে রায় শুনছেন। রায় কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারে কয়েকটি সাউন্ড বক্স স্থাপন করা হয়েছে।
এর আগে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মুহাম্মদ জানিয়েছিলেন, ‘ডাকসুর উদ্যোগে খুনি হাসিনার প্রথম রায় লাইভ সম্প্রচার: খুনী হাসিনা বনাম বাংলাদেশ’ টিএসসির পায়রা চত্বরে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।’
শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ আমলে নিয়ে চার্জ গঠন করেছেন ট্রাইব্যুনাল। সেগুলো হলো– গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া, রংপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র আবু সাঈদকে হত্যা, হেলিকপ্টারে প্রাণঘাতি অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ, চাঁনখারপুলে ৬ জনকে গুলি করে হত্যার নির্দেশ এবং আশুলিয়ায় ৬ জনকে হত্যা ও লাশ পোড়ানোর নির্দেশ।
সকাল সোয়া ৯টায় কড়া নিরাপত্তার মধ্যে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে চৌধুরী মামুনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। রায় ঘোষণার সময় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত আছেন জুলাই-অগাস্টের আন্দোলনে নিহত কয়েকজনের পরিবারের সদস্য ও আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন।
রায় ঘোষণা ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। হাইকোর্ট ও ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দোয়েল চত্বর থেকে শিক্ষাভবন অভিমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সন্দেহভাজনদের তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
সুপ্রিম কোর্টের ফটকের সামনে সেনাবাহিনীকে অবস্থান নিতে দেখা গেছে। আর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে ও ভেতরে পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক 





















