০৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

গুরুত্ব দিতে হবে গবেষণা ও প্রযুক্তিতে : ড. এফ এইচ আনসারী

বর্ধিত খাদ্য চাহিদা, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষিজমি হ্রাস ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির বাস্তবতায় টেকসই খাদ্য ব্যবস্থার জন্য গবেষণাভিত্তিক সমাধান অত্যাবশ্যকীয় বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি উন্নয়ন ব্যক্তিত্ব ড. এফ এইচ আনসারী।

এসিআই এগ্রিবিজনেস ডিভিশনের প্রেসিডেন্ট ড. এফ এইচ আনসারীর মতে, সারা বিশ্বব্যাপী উচ্চফলনশীল, জলবায়ু সহনশীল এবং রোগ প্রতিরোধক জাত উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষি গবেষণা এবং উৎপাদনশীলতায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়ে গেছে। উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজার ব্যবস্থাপনার প্রতিটি ধাপেই গবেষণার সুযোগ রয়েছে, যার মধ্য দিয়ে কৃষক পণ্যের ন্যায্যমূল্য পেয়ে লাভবান হন। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, নেদারল্যান্ডস ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোয় কৃষি গবেষণায় শুধু ফসল বৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগ করেনি; বরং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো, রোগ প্রতিরোধ, পুষ্টিমান উন্নয়ন, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিচালিত হয়েছে।

তিনি বলেছেন, উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেশী দেশ ভারতের ৩০০টির বেশি ফসল নিয়ে করা গবেষণার কথা উল্লেখ করা যায়। বাংলাদেশের প্রধানত ধানভিত্তিক গবেষণায় অগ্রগতি দেখা গেছে। গম, ভুট্টা ও তেলজাতীয় ফসলে উন্নয়ন গবেষণা কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও কৃষকের আয় ন্যায্যতা নিশ্চিতে গবেষণায় ও প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দিতে হবে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

বাংলাদেশে কৃষি শ্রমিকের সংখ্যা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে উল্লেখ করে এই কৃষি উন্নয়ন ব্যক্তিত্ব বলেছেন, এ অবস্থায় কৃষি খাতে যান্ত্রিকীকরণ আরো বাড়ানোর পাশাপাশি এ খাতে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে হবে। এতে কৃষি উৎপাদন ও আয় দুটোই বাড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুরুত্ব দিতে হবে গবেষণা ও প্রযুক্তিতে : ড. এফ এইচ আনসারী

প্রকাশিত : ০১:২৫:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

বর্ধিত খাদ্য চাহিদা, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষিজমি হ্রাস ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির বাস্তবতায় টেকসই খাদ্য ব্যবস্থার জন্য গবেষণাভিত্তিক সমাধান অত্যাবশ্যকীয় বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি উন্নয়ন ব্যক্তিত্ব ড. এফ এইচ আনসারী।

এসিআই এগ্রিবিজনেস ডিভিশনের প্রেসিডেন্ট ড. এফ এইচ আনসারীর মতে, সারা বিশ্বব্যাপী উচ্চফলনশীল, জলবায়ু সহনশীল এবং রোগ প্রতিরোধক জাত উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষি গবেষণা এবং উৎপাদনশীলতায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়ে গেছে। উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজার ব্যবস্থাপনার প্রতিটি ধাপেই গবেষণার সুযোগ রয়েছে, যার মধ্য দিয়ে কৃষক পণ্যের ন্যায্যমূল্য পেয়ে লাভবান হন। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, নেদারল্যান্ডস ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোয় কৃষি গবেষণায় শুধু ফসল বৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগ করেনি; বরং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো, রোগ প্রতিরোধ, পুষ্টিমান উন্নয়ন, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিচালিত হয়েছে।

তিনি বলেছেন, উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেশী দেশ ভারতের ৩০০টির বেশি ফসল নিয়ে করা গবেষণার কথা উল্লেখ করা যায়। বাংলাদেশের প্রধানত ধানভিত্তিক গবেষণায় অগ্রগতি দেখা গেছে। গম, ভুট্টা ও তেলজাতীয় ফসলে উন্নয়ন গবেষণা কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও কৃষকের আয় ন্যায্যতা নিশ্চিতে গবেষণায় ও প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দিতে হবে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

বাংলাদেশে কৃষি শ্রমিকের সংখ্যা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে উল্লেখ করে এই কৃষি উন্নয়ন ব্যক্তিত্ব বলেছেন, এ অবস্থায় কৃষি খাতে যান্ত্রিকীকরণ আরো বাড়ানোর পাশাপাশি এ খাতে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে হবে। এতে কৃষি উৎপাদন ও আয় দুটোই বাড়বে।