চারণ ব্যান্ড
চারণ ব্যান্ড : (বামদিক থেকে) ফয়সল-ড্রামস, অসীম-বেজ গিটার, মাহমুদ-কিবোর্ড ও ভোকাল, মিশুক-রিদম ও লীড গিটার, সোহাগ-রিদম ও লীড গিটার।

নিজস্ব প্রতিবেদক: চারণ ব্যান্ড এর গান দেশজুড়ে জনপ্রীয়। মেলো রক প্রকৃতির গানে এরইমধ্যে শ্রোতাদের মন জয় করেছে ব্যান্ডটি।

চারণ ব্যান্ডের ২০ বছর পূর্তিতে ২০২৩ সালে “মুখ ও মুখোশ” শিরোনামে আসতে যাচ্ছে দ্বিতীয় অ্যালবাম। এই এলবামে থাকছে ‘নিয়তি লেখা’, ‘এক জীবনে’ ‘মুখ ও মুখোশ’ ‘অবশেষে’ ‘মাঝি’ ‘বন্ধু তোকে মনে পড়ে’ ‘শেষ দেখা’ ‘তাজ্জব বনে যাই’ ‘কার মনেতে লাগে যে রঙ’ ‘লাল নীল গল্প’ শিরোনামের মোট ১০ টি গান।

২০০৩ সালে সামাজিক মূল্যবোধ থেকে চারণ ব্যান্ডের যাত্রা শুরু হয় । বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগে সমাজে মারাত্মকভাবে নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটে। সমাজিক মূল্যবোধ নিচে নেমে যায়। তখন এই বিশেষ চারণ গোষ্ঠীর আর্বিভাব ঘঠে; যারা গানকবিতার মাধ্যমে সে মূল্যবোধ পুনরুদ্ধারের যুদ্ধে নেমেছিল ; গানে গানে যুদ্ধ করছে বলেই ওরা চারণ, চারণের উত্তরাধিকার” । কথাগুলো বলেন চারণ ব্যান্ডের একক স্বত্ত্বাধিকারী ও ভোকালিস্ট চার্টার্ড সেক্রেটারী জনাব আসাদুল্লাহ মাহমুদ।

মেলো রক প্রকৃতির এই ব্যান্ডের প্রথম অ্যালবামের নাম ‘হ্যামিলন ও ঢাকা’। অ্যালবামটি প্রথম বাজারে আসে ২০১৬ ইং সালের ৮ সেপ্টেম্বর গানের ডালির ব্যানারে। এতে ছিল ৮টি গান। গঙ্গা-যমুনা, বৃষ্টির রং বদলায়, হ্যামিলন ও ঢাকা, সুখী মানুষের জামা, ৭১’র চিঠি প্রভৃতি এই এলবামের উল্লেখযোগ্য গান।

ইতোমধ্যে বিটিভি, দেশ টিভি, বৈশাখী টিভি সহ দেশের প্রায় সবকটি রেডিও স্টেশনে পারফর্ম করেছে চারণ। চারণের উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো বাংলার সুর ও কথাকে কালত্তীর্ণ করা।