ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এর কারনে সকাল থেকেই সারাদেশে বৃষ্টি হচ্ছে। সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর বিপদসংকেত চলছে। বিপদসংকেত আরও বেড়ে ৯ নম্বর সংকেত পর্যন্ত দেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এছাড়া ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬ কি.মি. বেড়ে এখন ৬৮ কি.মি. হয়েছে।

সোমবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ২টার বিফ্রিংয়ে এ কথা জানায় আবহাওয়া অধিদফতর। বর্তমানে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের দক্ষিণের ১৩ জেলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারি আছে। আর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ৬ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে, এদিন দুপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঝড়টি এরইমধ্যে মারাত্মক রূপ নিয়েছে। ঝড়ের সম্পূর্ণটাই বাংলাদেশের ভূখন্ডে আঘাত হানবে। ঘূর্ণিঝড়টি ১৩ জেলায় মারাত্মক আঘাত হানবে। এরমধ্যে বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তিনিও উল্লখ করেন, বিপদসংকেত আরও বাড়বে। যা মহাবিপদ পর্যন্ত যেতে পারে।

আগামীকাল সকাল ৭টা থেকে ৮টা নাগাদ আঘাত হানতে পারে সিত্রাং। তবে সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় ঝড়ের অগ্রভাগ আঘাত হানবে। আর আগামীকাল সকালে উপকূলে ঝড়ের কেন্দ্র আঘাত হানবে।