ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত রোগ। বৃষ্টির সময় ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেক বেড়ে যায়, কারণ স্থির পানিই মশার প্রজননক্ষেত্র। দেশের বিভিন্ন স্থানে এখন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে উচ্চ জ্বর, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, ক্লান্তি, জয়েন্টে ব্যথা, ত্বকে ফুসকুড়ি, বমি বমি ভাব ও বমির লক্ষণ দেখা দিতে পারে। ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা না নিলে তা গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে। ডেঙ্গু জ্বরে প্রাথমিক ভাবে কয়েকটি ঘরোয়া প্রতিকার মেনে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেন উপসর্গগুলো।

চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রতিকার সম্পর্কে, যা আপনাকে ডেঙ্গু ও এর জটিলতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে-

  • গিলয়ের রস
    গিলয়ের রস ডেঙ্গু জ্বরের একটি সুপরিচিত প্রতিকার। গিলয়ের রস বিপাক ক্রিয়া উন্নত করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যা ডেঙ্গু জ্বরের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে শরীরকে লড়াই করতে সাহায্য করে। এটি প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে ও রোগীকে স্বস্তি দেয়।
    পেয়ারার রস একাধিক পুষ্টিগুণে ভরপুর। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসার আপনার খাদ্যতালিকায় তাজা পেয়ারার রস যোগ করতে পারেন।
  • মেথি বীজ
    মেথি বীজ একাধিক পুষ্টিসমৃদ্ধ, যা ডেঙ্গু জ্বর নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এক কাপ গরম পানিতে কিছু মেথির বীজ ভিজিয়ে রাখতে পারেন। পানি ঠান্ডা করে দিনে দু’বার পান করুন।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যা খাবেনআপনার ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ হবে দ্রুত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে ডেঙ্গুর প্রাথমিক উপসর্গ থেকেও সহজে নিস্তার মেলে। এজন্য এ সময় অবশ্যই ডায়েটে সাইট্রাস জাতীয় খাবার, রসুন, বাদাম, হলুদ ও আরও অনেক কিছু যোগ করতে হবে।
    যদি কেউ ডেঙ্গুর কিছু উপসর্গ লক্ষ্য করেন তাহলে দ্রুত পরীক্ষা করুন ও চিকিৎসা সহায়তা নিন। এর পাশাপাশি এই প্রতিকারগুলোও আপনাকে কার্যকরভাবে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে। তবে খুব বেশি দিন ঘরোয়া প্রতিকারের উপর নির্ভর করবেন না। তার চেয়ে বরং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।