০৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ইউরিন ইনফেকশন কেন হয় ? করনীয় কি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৯:১৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ নভেম্বর ২০২১
  • 165

কিডনি /  ইউরেটার / মুত্রথলি  তে ইনফেকশন কে মেডিকেল সাইন্সের ভাষায় UTI বা প্রশ্রাবে ইনফেকশন বা ইউরিন ইনফেকশন বলা হয় ।

তীব্র জ্বর, পেটে ব্যাথা, বমি, অপর্যাপ্ত গ্রোথ, প্রশ্রাবের সময় কান্নাকাটি, ঘনঘন প্রশ্রাব করা এই রোগের সাধারণ লক্ষন। জটিল লক্ষ্যণের মধ্যে প্রশ্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া, অত্যোধিক কম প্রশ্রাব হওয়া, শরীরে পানি আসা, প্রশ্রাবের সাথে রক্ত বা পুঁজ হওয়া অন্যতম।

ছেলে বাচ্চাদের মেয়ে বাচ্চাদের তুলনায়  ০- ৪ বছর পর্যন্ত এই রোগের প্রবনতা বেশি হয়ে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে মেয়ে বাচ্চাদের এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ১০ গুন বেশি থাকে ছেলেদের তুলনায়। প্রশ্রাবের রাস্তা মাসিকের ও মলদ্বারের কাছাকাছি হওয়া এর অন্যতম প্রধান কারন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

অপর্যাপ্ত পানি ও সবজি খাওয়া, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কম মেনে চলা ও প্রশ্রাব দীর্ঘ সময় আটকে রাখার অভ্যাসের কারনে বাচ্চারা ঘনঘন এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এছাড়াও অযাচিত এন্টিবায়োটিক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে ও বারবার ঘটাতে পারে এই রোগ।

সাধারনত প্রশ্রাবের রুটিন পরীক্ষা ও মাইক্রোবায়োলজি পরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসকগন প্রশ্রাবের ইনফেকশনর যথাযথ কারন নির্নয় করে থাকেন।

পর্যাপ্ত পানি, সবজি খাওয়া  এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা মেনে চললে অনেকাংশেই কমে যায় এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা। প্রয়োজনে সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি হয়ে উঠে যখন বারবার বাচ্চা এ রোগে আক্রান্ত হয় বা জটিলতার দিকে চলে যায়।

একটু সচেতনতা ও নিয়মিত চিকিৎসক পরামর্শে কিডনি জটিলতা তৈরির মতো এই রোগ থেকে সহজেই বেঁচে থাকা যায়। সচেতনতাই সমাধান

লেখক: ডা শফিকুল ইসলাম, সহকারী রেজিস্ট্রার, শিশু বিভাগ 
ইবনেসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
প্রতিষ্ঠাতা – গ্রীন হেলথ সেন্টার

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরিন ইনফেকশন কেন হয় ? করনীয় কি

প্রকাশিত : ০৯:১৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ নভেম্বর ২০২১

কিডনি /  ইউরেটার / মুত্রথলি  তে ইনফেকশন কে মেডিকেল সাইন্সের ভাষায় UTI বা প্রশ্রাবে ইনফেকশন বা ইউরিন ইনফেকশন বলা হয় ।

তীব্র জ্বর, পেটে ব্যাথা, বমি, অপর্যাপ্ত গ্রোথ, প্রশ্রাবের সময় কান্নাকাটি, ঘনঘন প্রশ্রাব করা এই রোগের সাধারণ লক্ষন। জটিল লক্ষ্যণের মধ্যে প্রশ্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া, অত্যোধিক কম প্রশ্রাব হওয়া, শরীরে পানি আসা, প্রশ্রাবের সাথে রক্ত বা পুঁজ হওয়া অন্যতম।

ছেলে বাচ্চাদের মেয়ে বাচ্চাদের তুলনায়  ০- ৪ বছর পর্যন্ত এই রোগের প্রবনতা বেশি হয়ে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে মেয়ে বাচ্চাদের এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ১০ গুন বেশি থাকে ছেলেদের তুলনায়। প্রশ্রাবের রাস্তা মাসিকের ও মলদ্বারের কাছাকাছি হওয়া এর অন্যতম প্রধান কারন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

অপর্যাপ্ত পানি ও সবজি খাওয়া, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কম মেনে চলা ও প্রশ্রাব দীর্ঘ সময় আটকে রাখার অভ্যাসের কারনে বাচ্চারা ঘনঘন এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এছাড়াও অযাচিত এন্টিবায়োটিক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে ও বারবার ঘটাতে পারে এই রোগ।

সাধারনত প্রশ্রাবের রুটিন পরীক্ষা ও মাইক্রোবায়োলজি পরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসকগন প্রশ্রাবের ইনফেকশনর যথাযথ কারন নির্নয় করে থাকেন।

পর্যাপ্ত পানি, সবজি খাওয়া  এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা মেনে চললে অনেকাংশেই কমে যায় এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা। প্রয়োজনে সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি হয়ে উঠে যখন বারবার বাচ্চা এ রোগে আক্রান্ত হয় বা জটিলতার দিকে চলে যায়।

একটু সচেতনতা ও নিয়মিত চিকিৎসক পরামর্শে কিডনি জটিলতা তৈরির মতো এই রোগ থেকে সহজেই বেঁচে থাকা যায়। সচেতনতাই সমাধান

লেখক: ডা শফিকুল ইসলাম, সহকারী রেজিস্ট্রার, শিশু বিভাগ 
ইবনেসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
প্রতিষ্ঠাতা – গ্রীন হেলথ সেন্টার