০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

কথাসাহিত্যিক ফরিদা মজিদ আর নেই

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০২:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • 59

কবি ও কথাসাহিত্যিক ফরিদা মজিদ আর নেই। মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়। তার সতীর্থ সঞ্জীব পুরোহিত গণমাধ্যমকে মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন।

ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে ফরিদা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। চিকিৎসাধীন আজ ভোরে মারা গেলেন তিনি। ১৯৪২ সালের ২৭ জুলাই কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন ফরিদা মজিদ। তিনি কবি গোলাম মোস্তফার বড় মেয়ে জ্যোৎস্নার কন্যা।

দীর্ঘকাল প্রবাস জীবন কাটিয়েছেন ফরিদা মজিদ। প্রথমে লন্ডন, পরে যুক্তরাষ্ট্রে। স্বাধীনতাপরবর্তী সময়ে তিনি লন্ডনে বসে দেশের বড় বড় কবি সাহিত্যিকদের লেখা অনুবাদ, সম্পাদনা ও প্রকাশনার কাজ করেছেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

১৯৮৪ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে অধ্যাপনা করেছেন। ১৯৯১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ইংরেজির লেকচারার হিসেবে ছিলেন নিউইয়র্কের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০৬ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

কথাসাহিত্যিক ফরিদা মজিদ আর নেই

প্রকাশিত : ০২:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

কবি ও কথাসাহিত্যিক ফরিদা মজিদ আর নেই। মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়। তার সতীর্থ সঞ্জীব পুরোহিত গণমাধ্যমকে মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন।

ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে ফরিদা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। চিকিৎসাধীন আজ ভোরে মারা গেলেন তিনি। ১৯৪২ সালের ২৭ জুলাই কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন ফরিদা মজিদ। তিনি কবি গোলাম মোস্তফার বড় মেয়ে জ্যোৎস্নার কন্যা।

দীর্ঘকাল প্রবাস জীবন কাটিয়েছেন ফরিদা মজিদ। প্রথমে লন্ডন, পরে যুক্তরাষ্ট্রে। স্বাধীনতাপরবর্তী সময়ে তিনি লন্ডনে বসে দেশের বড় বড় কবি সাহিত্যিকদের লেখা অনুবাদ, সম্পাদনা ও প্রকাশনার কাজ করেছেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

১৯৮৪ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে অধ্যাপনা করেছেন। ১৯৯১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ইংরেজির লেকচারার হিসেবে ছিলেন নিউইয়র্কের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০৬ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন।