০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

একবার আর ‘অটোপাস’ দেয়া হবে না: ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৪:০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১
  • 64

করোনাভাইরাসের কারনে এবার আর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় অটোপাস দিতে চাই না। পরীক্ষা নিয়েই তাদের রেজাল্ট দিতে চাই। একবার অটোপাস দেয়াতে শিক্ষার্থীদের অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। আমরা তাদের আর বিপদে ফেলতে চাই না।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) রাতে করোনাকালীন শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আয়োজিত এক লাইভ অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নেহাল আহমেদ।

তিনি বলেন, আমাদের প্লান হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ৬০ দিন ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ৮০ দিন ক্লাস করিয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

অনলাইনে পাবলিক পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনলাইনে পাবলিক পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি বিশ্বের অন্যান্য দেশে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেগুলো পর্যালোচনা করে একটি রিপোর্ট দেবে। সেটি আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিবো।

জনপ্রিয় সংবাদ

একবার আর ‘অটোপাস’ দেয়া হবে না: ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান

প্রকাশিত : ০৪:০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১

করোনাভাইরাসের কারনে এবার আর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় অটোপাস দিতে চাই না। পরীক্ষা নিয়েই তাদের রেজাল্ট দিতে চাই। একবার অটোপাস দেয়াতে শিক্ষার্থীদের অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। আমরা তাদের আর বিপদে ফেলতে চাই না।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) রাতে করোনাকালীন শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আয়োজিত এক লাইভ অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নেহাল আহমেদ।

তিনি বলেন, আমাদের প্লান হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ৬০ দিন ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ৮০ দিন ক্লাস করিয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

অনলাইনে পাবলিক পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনলাইনে পাবলিক পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি বিশ্বের অন্যান্য দেশে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেগুলো পর্যালোচনা করে একটি রিপোর্ট দেবে। সেটি আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিবো।