০৯:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড কারখানা পরিদর্শন করলেন জার্মান ভাইস মিনিস্টার

জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার ও স্টেট সেক্রেটারি ড. বারবেল কোফলারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড (একেএসএমএল) কারখানা পরিদর্শন করেছে।

সোমবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত কারখানাটি পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলকে একেএসএমএল-এর আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জন এবং পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করা হয়। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান একেএসএমএল-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান মোমিন।

জার্মান প্রতিনিধিদলে ড. বারবেল কোফলার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ ।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জার্মান উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জিআইজেড বাংলাদেশ, জার্মান উন্নয়ন ব্যাংক কেএফডব্লিউ এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) এর জেষ্ঠ্য কর্মকর্তাগণ।

একেএসএমএল আধুনিক ইলেকট্রিক আর্ক ফার্নেস প্রযুক্তি, উন্নত প্রকৌশল এবং উচ্চগতির রিবার রোলিং প্রযুক্তির সমন্বয়ে স্টীল উৎপাদন করে। উচ্চ উৎপাদন সক্ষমতা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের স্টীলশিল্পে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এর স্বীকৃতিস্বরূপ, সম্প্রতি উৎপাদন সক্ষমতা-সংক্রান্ত একটি রেকর্ডের জন্য একেএসএমএল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অর্জন করেছে। প্রাকৃতিক সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহার ও পরিবেশগত দায়িত্বশীলতার অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন, ফিউম ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে বায়ুদূষণ রোধ এবং ভূগর্ভস্থ পানির পরিবর্তে বৃষ্টির পানি পুনর্ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে একেএসএমএল। কারখানাটির এসব পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ পরিদর্শন করে ভূয়সী প্রশংসা করেন জার্মান প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় স্টীলশিল্পে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নে একেএসএমএলের উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন জার্মান প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশের শিল্প খাতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তাঁদের ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি, বাংলাদেশের স্টীলশিল্পের অগ্রগতি ও আধুনিকায়ন সম্পর্কেও ইতিবাচক ধারণা লাভ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড কারখানা পরিদর্শন করলেন জার্মান ভাইস মিনিস্টার

প্রকাশিত : ০৯:১১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার ও স্টেট সেক্রেটারি ড. বারবেল কোফলারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড (একেএসএমএল) কারখানা পরিদর্শন করেছে।

সোমবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত কারখানাটি পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলকে একেএসএমএল-এর আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জন এবং পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করা হয়। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান একেএসএমএল-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান মোমিন।

জার্মান প্রতিনিধিদলে ড. বারবেল কোফলার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ ।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জার্মান উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জিআইজেড বাংলাদেশ, জার্মান উন্নয়ন ব্যাংক কেএফডব্লিউ এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) এর জেষ্ঠ্য কর্মকর্তাগণ।

একেএসএমএল আধুনিক ইলেকট্রিক আর্ক ফার্নেস প্রযুক্তি, উন্নত প্রকৌশল এবং উচ্চগতির রিবার রোলিং প্রযুক্তির সমন্বয়ে স্টীল উৎপাদন করে। উচ্চ উৎপাদন সক্ষমতা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের স্টীলশিল্পে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এর স্বীকৃতিস্বরূপ, সম্প্রতি উৎপাদন সক্ষমতা-সংক্রান্ত একটি রেকর্ডের জন্য একেএসএমএল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অর্জন করেছে। প্রাকৃতিক সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহার ও পরিবেশগত দায়িত্বশীলতার অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন, ফিউম ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে বায়ুদূষণ রোধ এবং ভূগর্ভস্থ পানির পরিবর্তে বৃষ্টির পানি পুনর্ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে একেএসএমএল। কারখানাটির এসব পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ পরিদর্শন করে ভূয়সী প্রশংসা করেন জার্মান প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় স্টীলশিল্পে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নে একেএসএমএলের উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন জার্মান প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশের শিল্প খাতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তাঁদের ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি, বাংলাদেশের স্টীলশিল্পের অগ্রগতি ও আধুনিকায়ন সম্পর্কেও ইতিবাচক ধারণা লাভ করেন।