০৫:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

সাত ব্রোকারেজ হাউজের অনিয়ম, পরিদর্শনে নামছে ডিএসই

শেয়ারবাজারে অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাতটি সদস্য ব্রোকারেজ হাউজ পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানে মার্জিন ঋণ ব্যবস্থাপনায় নিয়ম লঙ্ঘন ও নানা ধরনের অনিয়ম ঘটছে। এ কারণে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ডিএসইকে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কার্যক্রম পরিদর্শন করে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ থেকে ডিএসইর প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার (সিআরও) কাছে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

পরিদর্শনের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড (ট্রেক নং-১৫৬), জেকেসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড (ট্রেক নং-১৭৯), আহমেদ ইকবাল হাসান সিকিউরিটিজ লিমিটেড (ট্রেক নং-১১৪), মার্চেন্ট সিকিউরিটিজ লিমিটেড (ট্রেক নং-১৬৯), শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেড (ট্রেক নং-১২০) এবং কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (ট্রেক নং-১৮০)।

জানা গেছে, চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি ও ৪ মার্চ এ বিষয়ে একাধিক চিঠি বিএসইসিতে পাঠায় ডিএসই। এসব চিঠিতে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর স্টক-ব্রোকার ও স্টক-ডিলার নিবন্ধন সনদ নবায়ন সংক্রান্ত তথ্যও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

একই সঙ্গে মার্জিন ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও বিধি লঙ্ঘনের বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়। ফলে কমিশন শুধু উল্লিখিত অভিযোগ নয়, পরিদর্শনের সময় অন্য কোনো অসঙ্গতি ধরা পড়লেও তা অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে।

বিএসইসির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ডিএসই কর্তৃপক্ষ ফরম-(ছ) জমা দিয়েছে, যেখানে দেখা গেছে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলো মার্জিন রুল, ১৯৯৯ এবং ২০২২ সালের ২০ মে জারি করা নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করছে না।

এই পরিস্থিতিতে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ২০২০-এর বিধি ১৭(১) অনুযায়ী ডিএসইকে পরিদর্শন শেষে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত কোনো অনিয়ম চোখে পড়লে তা-ও প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ারবাজারে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার তৎপরতা বেড়েছে। বিশেষ করে মার্জিন ঋণ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে বিএসইসি কঠোর অবস্থান নিয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়ক হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাত ব্রোকারেজ হাউজের অনিয়ম, পরিদর্শনে নামছে ডিএসই

প্রকাশিত : ১১:৪৬:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

শেয়ারবাজারে অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাতটি সদস্য ব্রোকারেজ হাউজ পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানে মার্জিন ঋণ ব্যবস্থাপনায় নিয়ম লঙ্ঘন ও নানা ধরনের অনিয়ম ঘটছে। এ কারণে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ডিএসইকে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কার্যক্রম পরিদর্শন করে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ থেকে ডিএসইর প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার (সিআরও) কাছে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

পরিদর্শনের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড (ট্রেক নং-১৫৬), জেকেসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড (ট্রেক নং-১৭৯), আহমেদ ইকবাল হাসান সিকিউরিটিজ লিমিটেড (ট্রেক নং-১১৪), মার্চেন্ট সিকিউরিটিজ লিমিটেড (ট্রেক নং-১৬৯), শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেড (ট্রেক নং-১২০) এবং কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (ট্রেক নং-১৮০)।

জানা গেছে, চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি ও ৪ মার্চ এ বিষয়ে একাধিক চিঠি বিএসইসিতে পাঠায় ডিএসই। এসব চিঠিতে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর স্টক-ব্রোকার ও স্টক-ডিলার নিবন্ধন সনদ নবায়ন সংক্রান্ত তথ্যও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

একই সঙ্গে মার্জিন ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও বিধি লঙ্ঘনের বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়। ফলে কমিশন শুধু উল্লিখিত অভিযোগ নয়, পরিদর্শনের সময় অন্য কোনো অসঙ্গতি ধরা পড়লেও তা অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে।

বিএসইসির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ডিএসই কর্তৃপক্ষ ফরম-(ছ) জমা দিয়েছে, যেখানে দেখা গেছে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলো মার্জিন রুল, ১৯৯৯ এবং ২০২২ সালের ২০ মে জারি করা নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করছে না।

এই পরিস্থিতিতে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ২০২০-এর বিধি ১৭(১) অনুযায়ী ডিএসইকে পরিদর্শন শেষে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত কোনো অনিয়ম চোখে পড়লে তা-ও প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ারবাজারে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার তৎপরতা বেড়েছে। বিশেষ করে মার্জিন ঋণ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে বিএসইসি কঠোর অবস্থান নিয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়ক হতে পারে।