০৬:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দিকে সরকার এগোচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

ভঙ্গুর অর্থনীতি, নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের চাপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ—এই তিন সংকটের কারণে আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (০১ এপ্রিল) অর্থমন্ত্রী জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি আগে থেকেই চাপের মধ্যে রয়েছে। এর ওপর সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে, যার ফলে বাজেট প্রণয়নে সরকারের ওপর চাপ বেড়ে গেছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার এমন বাজেট প্রণয়ন করতে চায় যা রাজস্ব আহরণ বাড়াবে, কিন্তু বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না। আগামী বাজেটের প্রস্তুতি সামনে রেখে দিকনির্দেশনা দিতে তিনি প্রথমবারের মতো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে যান।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

তিনি উল্লেখ করেন, দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে লক্ষ্য করে বাজেট প্রণয়ন করা হবে। উন্নয়ন এগিয়ে নিতে ইশতেহার অনুযায়ী সম্পদের যোগান নিশ্চিত করতে হবে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বাড়তি ব্যয় এবং জ্বালানি আমদানিতে দ্বিগুণ খরচ পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার টাকা ছাপাতে চায় না এবং ঋণনির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দিকে যেতে চায়। এ ধরনের বাজেট নীতি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দিকে সরকার এগোচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৬:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

ভঙ্গুর অর্থনীতি, নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের চাপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ—এই তিন সংকটের কারণে আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (০১ এপ্রিল) অর্থমন্ত্রী জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি আগে থেকেই চাপের মধ্যে রয়েছে। এর ওপর সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে, যার ফলে বাজেট প্রণয়নে সরকারের ওপর চাপ বেড়ে গেছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার এমন বাজেট প্রণয়ন করতে চায় যা রাজস্ব আহরণ বাড়াবে, কিন্তু বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না। আগামী বাজেটের প্রস্তুতি সামনে রেখে দিকনির্দেশনা দিতে তিনি প্রথমবারের মতো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে যান।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

তিনি উল্লেখ করেন, দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে লক্ষ্য করে বাজেট প্রণয়ন করা হবে। উন্নয়ন এগিয়ে নিতে ইশতেহার অনুযায়ী সম্পদের যোগান নিশ্চিত করতে হবে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বাড়তি ব্যয় এবং জ্বালানি আমদানিতে দ্বিগুণ খরচ পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার টাকা ছাপাতে চায় না এবং ঋণনির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দিকে যেতে চায়। এ ধরনের বাজেট নীতি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।