১১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

শেয়ারবাজার অনিয়মে দুই চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট নিষিদ্ধ

  • হৃদয়
  • প্রকাশিত : ১০:১১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • 86

পেশাগত মান লঙ্ঘন ও অসদাচরণের অভিযোগে দুইজন অডিট পার্টনারকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইক্যাব)। তারা উভয়ই বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) তালিকাভুক্ত নিরীক্ষক প্যানেলের সদস্য ছিলেন। গত ২০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত আইক্যাব কাউন্সিল সভায় তদন্ত ও শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত নিরীক্ষকরা হলেন— ইসলাম কোয়াজি শফিক অ্যান্ড কোং-এর ব্যবস্থাপনা অংশীদার কোয়াজি শফিকুল ইসলাম এবং কাজী জহির খান অ্যান্ড কোং-এর ব্যবস্থাপনা অংশীদার নুরুল হোসাইন খান। তাদের উভয়কে এক বছরের জন্য স্ট্যাটিউটরি অডিট কার্যক্রম পরিচালনা থেকে বিরত রাখা হয়েছে।

এছাড়া কোয়াজি শফিকুল ইসলামকে ৬ লাখ টাকা এবং নুরুল হোসাইন খানকে ৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নির্ধারিত তিন মাসের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত আরও এক বছরের জন্য তাদের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে আইক্যাব। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষে তারা পুনরায় ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেমে (ডিভিএস) প্রবেশাধিকার পাবেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত আইক্যাব দেশের পেশাগত হিসাবরক্ষণ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কাজ করে। এটি নিরীক্ষকদের লাইসেন্স প্রদান, পেশাগত মান নিয়ন্ত্রণ এবং অনিয়মের ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।

এর আগে ২০২৫ সালের আগস্টে আইক্যাব একই ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় আরও দুই নিরীক্ষকের বিরুদ্ধে। মাহফেল হক অ্যান্ড কোং-এর সাবেক সিনিয়র পার্টনার আবু কায়সারের সনদ দুই বছরের জন্য বাতিল করা হয় এবং তাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক পার্টনার আবদুস সাত্তার সরকারও একই অভিযোগে দুই বছরের জন্য সনদ বাতিল ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার মুখে পড়েন।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপগুলো দেশের শেয়ারবাজারে নিরীক্ষার মান উন্নয়ন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টারই অংশ। তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন নিরীক্ষার দায়িত্বে থাকা এসব নিরীক্ষকের অনিয়ম বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

বর্তমানে নিরীক্ষা কার্যক্রমে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নজরদারি আরও জোরদার হয়েছে। পেশাগত মান নিশ্চিত ও আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শেয়ারবাজার অনিয়মে দুই চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট নিষিদ্ধ

প্রকাশিত : ১০:১১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পেশাগত মান লঙ্ঘন ও অসদাচরণের অভিযোগে দুইজন অডিট পার্টনারকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইক্যাব)। তারা উভয়ই বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) তালিকাভুক্ত নিরীক্ষক প্যানেলের সদস্য ছিলেন। গত ২০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত আইক্যাব কাউন্সিল সভায় তদন্ত ও শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত নিরীক্ষকরা হলেন— ইসলাম কোয়াজি শফিক অ্যান্ড কোং-এর ব্যবস্থাপনা অংশীদার কোয়াজি শফিকুল ইসলাম এবং কাজী জহির খান অ্যান্ড কোং-এর ব্যবস্থাপনা অংশীদার নুরুল হোসাইন খান। তাদের উভয়কে এক বছরের জন্য স্ট্যাটিউটরি অডিট কার্যক্রম পরিচালনা থেকে বিরত রাখা হয়েছে।

এছাড়া কোয়াজি শফিকুল ইসলামকে ৬ লাখ টাকা এবং নুরুল হোসাইন খানকে ৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নির্ধারিত তিন মাসের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত আরও এক বছরের জন্য তাদের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে আইক্যাব। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষে তারা পুনরায় ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেমে (ডিভিএস) প্রবেশাধিকার পাবেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত আইক্যাব দেশের পেশাগত হিসাবরক্ষণ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কাজ করে। এটি নিরীক্ষকদের লাইসেন্স প্রদান, পেশাগত মান নিয়ন্ত্রণ এবং অনিয়মের ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।

এর আগে ২০২৫ সালের আগস্টে আইক্যাব একই ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় আরও দুই নিরীক্ষকের বিরুদ্ধে। মাহফেল হক অ্যান্ড কোং-এর সাবেক সিনিয়র পার্টনার আবু কায়সারের সনদ দুই বছরের জন্য বাতিল করা হয় এবং তাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক পার্টনার আবদুস সাত্তার সরকারও একই অভিযোগে দুই বছরের জন্য সনদ বাতিল ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার মুখে পড়েন।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপগুলো দেশের শেয়ারবাজারে নিরীক্ষার মান উন্নয়ন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টারই অংশ। তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন নিরীক্ষার দায়িত্বে থাকা এসব নিরীক্ষকের অনিয়ম বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

বর্তমানে নিরীক্ষা কার্যক্রমে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নজরদারি আরও জোরদার হয়েছে। পেশাগত মান নিশ্চিত ও আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।