০৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

৫ হাজার কোটির লাইফলাইন পেল প্রিমিয়ার ব্যাংক

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৯:৫৫:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 143

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রিমিয়ার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন ডা. এইচবিএম ইকবাল, যেখানে তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যও পর্ষদে ছিলেন। ব্যাংকটির নারায়ণগঞ্জ শাখাসহ বিভিন্ন শাখা থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাতের ঘটনা অনেক আগে থেকেই সংকট তৈরি করেছিল, যা নির্বাচনের ঠিক আগে বড় আমানতকারীদের অর্থ তুলে নেওয়ার ফলে বিধিবদ্ধ তারল্য সংরক্ষণে ব্যর্থতায় রূপ নেয়।

প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ব্যাংককে তাদের দায়ের বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ নগদ জমা (সিআরআর) ও সহজে বিনিময়যোগ্য সম্পদ (এসএলআর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সংরক্ষণ করতে হয়। প্রিমিয়ার ব্যাংক এই নিয়ম পালনে ব্যর্থ হওয়ায় বাজারে নেতিবাচক বার্তা যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৪ হাজার কোটি টাকার বন্ড এবং ১ হাজার কোটি টাকা ক্যাশ আকারে ধার হিসেবে প্রদান করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, বড় প্রতিষ্ঠানগুলো আমানত সরিয়ে নেওয়ায় ব্যাংকটি প্রকট সংকটে পড়েছিল। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডারের সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী ৯০ দিন মেয়াদে সাড়ে ১১ শতাংশ সুদে এই অর্থ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকিং পরিভাষায় এটি ‘ওভারনাইট’ (ওডি) সুবিধা হিসেবে গণ্য হবে। এর আগে ইসলামী ব্যাংকসহ একীভূত হতে যাওয়া কয়েকটি ব্যাংকও একই পদ্ধতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে অর্থ সহায়তা নিয়েছিল।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ হাজার কোটির লাইফলাইন পেল প্রিমিয়ার ব্যাংক

প্রকাশিত : ০৯:৫৫:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রিমিয়ার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন ডা. এইচবিএম ইকবাল, যেখানে তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যও পর্ষদে ছিলেন। ব্যাংকটির নারায়ণগঞ্জ শাখাসহ বিভিন্ন শাখা থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাতের ঘটনা অনেক আগে থেকেই সংকট তৈরি করেছিল, যা নির্বাচনের ঠিক আগে বড় আমানতকারীদের অর্থ তুলে নেওয়ার ফলে বিধিবদ্ধ তারল্য সংরক্ষণে ব্যর্থতায় রূপ নেয়।

প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ব্যাংককে তাদের দায়ের বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ নগদ জমা (সিআরআর) ও সহজে বিনিময়যোগ্য সম্পদ (এসএলআর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সংরক্ষণ করতে হয়। প্রিমিয়ার ব্যাংক এই নিয়ম পালনে ব্যর্থ হওয়ায় বাজারে নেতিবাচক বার্তা যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৪ হাজার কোটি টাকার বন্ড এবং ১ হাজার কোটি টাকা ক্যাশ আকারে ধার হিসেবে প্রদান করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, বড় প্রতিষ্ঠানগুলো আমানত সরিয়ে নেওয়ায় ব্যাংকটি প্রকট সংকটে পড়েছিল। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডারের সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী ৯০ দিন মেয়াদে সাড়ে ১১ শতাংশ সুদে এই অর্থ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকিং পরিভাষায় এটি ‘ওভারনাইট’ (ওডি) সুবিধা হিসেবে গণ্য হবে। এর আগে ইসলামী ব্যাংকসহ একীভূত হতে যাওয়া কয়েকটি ব্যাংকও একই পদ্ধতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে অর্থ সহায়তা নিয়েছিল।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব