০৪:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

চাপ, ভয়, আশাবাদ: শেয়ারবাজারে উত্তেজনার তীব্রতা!

টানা দুই কার্যদিবসের ভয়াবহ পতনের পর সোমবার (০২ ডিসেম্বর) দেশের শেয়ারবাজারে অবশেষে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেখা দিয়েছে। বাজারে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকলে সপ্তাহের শেষের দিকে প্রধান সূচক ৫ হাজার পয়েন্টের ওপরে উঠতে পারে।

এই পুনরুত্থানের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ফের এসেছে আশাবাদ ও চাঞ্চল্য। বাজার-সম্পৃক্তরা বলছেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা যদি বর্তমান পরিস্থিতিতে মনিটরিং আরও জোরদার করে, তবে বাজারে নতুন করে বড় ধরনের পতনের ঝুঁকি কমে যাবে। তারা আরও বলেছেন, বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নয়, এখন বাজারবান্ধব ইতিবাচক নীতি গ্রহণ করা জরুরি। বিনিয়োগকারীদেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—গুজব এড়িয়ে যাচাই-বাছাই করে বিনিয়োগ করুন।

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৬.১৯ পয়েন্ট বেড়ে ৪,৯৫০.৯১ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। অন্য দুটি সূচকও সমানভাবে বেড়েছে—ডিএসইএস ১০.৩২ পয়েন্ট বেড়ে ১,০৩৯.২২ পয়েন্টে, এবং ডিএসই-৩০ ১০.৫৭ পয়েন্ট বেড়ে ১,৯০৬.২৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এদিন ডিএসইতে ৩৮৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ২৮৫টির, কমেছে ৫৬ টির  এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৭ টির। মোট লেনদেন হয়েছে ৩৭৯ কোটি ৭ লাখ টাকা। যা আগের কার্যদিবসের ৪১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকার তুলনায় ৩৬ কোটি ৮৩ লাখ কম।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন ১২ কোটি ৫১ লাখ টাকার, যা আগের দিনের ৩ কোটি ২৯ লাখ টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। লেনদেন হওয়া ১৬৩টি কোম্পানির মধ্যে ৮৭টির দর বেড়েছে, ৫৮টির কমেছে, এবং ১৮টির দর অপরিবর্তিত।

তবে সূচকের ক্ষেত্রে কিছুটা বিপরীত চিত্র—সিএএসপিআই ১.৯২ পয়েন্ট কমে ১৩,৮৫২.৭৩ পয়েন্টে নেমেছে। আগের দিন সূচক কমেছিল ১২৩.৬৫ পয়েন্ট।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পুনরুত্থানকে বিনিয়োগকারীরা ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে—মনিটরিং শক্তিশালী করা, বাজারবান্ধব নীতি গ্রহণ এবং গুজব এড়িয়ে বিনিয়োগ করা এখন বাজার স্থিতিশীল রাখার মূল চাবিকাঠি। শেয়ারবাজারে এখন চাপ, ভয়, আশাবাদ—সব মিলিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাপ, ভয়, আশাবাদ: শেয়ারবাজারে উত্তেজনার তীব্রতা!

প্রকাশিত : ০৩:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

টানা দুই কার্যদিবসের ভয়াবহ পতনের পর সোমবার (০২ ডিসেম্বর) দেশের শেয়ারবাজারে অবশেষে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেখা দিয়েছে। বাজারে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকলে সপ্তাহের শেষের দিকে প্রধান সূচক ৫ হাজার পয়েন্টের ওপরে উঠতে পারে।

এই পুনরুত্থানের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ফের এসেছে আশাবাদ ও চাঞ্চল্য। বাজার-সম্পৃক্তরা বলছেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা যদি বর্তমান পরিস্থিতিতে মনিটরিং আরও জোরদার করে, তবে বাজারে নতুন করে বড় ধরনের পতনের ঝুঁকি কমে যাবে। তারা আরও বলেছেন, বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নয়, এখন বাজারবান্ধব ইতিবাচক নীতি গ্রহণ করা জরুরি। বিনিয়োগকারীদেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—গুজব এড়িয়ে যাচাই-বাছাই করে বিনিয়োগ করুন।

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৬.১৯ পয়েন্ট বেড়ে ৪,৯৫০.৯১ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। অন্য দুটি সূচকও সমানভাবে বেড়েছে—ডিএসইএস ১০.৩২ পয়েন্ট বেড়ে ১,০৩৯.২২ পয়েন্টে, এবং ডিএসই-৩০ ১০.৫৭ পয়েন্ট বেড়ে ১,৯০৬.২৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এদিন ডিএসইতে ৩৮৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ২৮৫টির, কমেছে ৫৬ টির  এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৭ টির। মোট লেনদেন হয়েছে ৩৭৯ কোটি ৭ লাখ টাকা। যা আগের কার্যদিবসের ৪১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকার তুলনায় ৩৬ কোটি ৮৩ লাখ কম।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন ১২ কোটি ৫১ লাখ টাকার, যা আগের দিনের ৩ কোটি ২৯ লাখ টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। লেনদেন হওয়া ১৬৩টি কোম্পানির মধ্যে ৮৭টির দর বেড়েছে, ৫৮টির কমেছে, এবং ১৮টির দর অপরিবর্তিত।

তবে সূচকের ক্ষেত্রে কিছুটা বিপরীত চিত্র—সিএএসপিআই ১.৯২ পয়েন্ট কমে ১৩,৮৫২.৭৩ পয়েন্টে নেমেছে। আগের দিন সূচক কমেছিল ১২৩.৬৫ পয়েন্ট।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পুনরুত্থানকে বিনিয়োগকারীরা ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে—মনিটরিং শক্তিশালী করা, বাজারবান্ধব নীতি গ্রহণ এবং গুজব এড়িয়ে বিনিয়োগ করা এখন বাজার স্থিতিশীল রাখার মূল চাবিকাঠি। শেয়ারবাজারে এখন চাপ, ভয়, আশাবাদ—সব মিলিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।