ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য তুহিন মিয়ার উপর সাবেক ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী নেতাকর্মীদের বর্বরোচিত হামলার খবর পাওয়া গেছে।
৫ এপ্রিল শনিবার দুপুরে জেলা শহরের পুরাতন জেলখানা মোড় এলাকার বি বাড়ীয়া স্কুলের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তুহিনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলায় তার দুই পা ভেঙে গেছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
হামলার নির্দেশ দাতাদের মধ্যে রয়েছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি হাবিবুল্লাহ বাহার, নাটাই উত্তর ইউনিয়ন আ’লীগের জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য কামাল মিয়া।
নির্দেশ অনুযায়ী হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছে বলে সাবেক ছাত্রলীগ,যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা: যাদের নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে সাইফুল ইসলাম মুন্না- সবেক সহ সভাপতি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ, মাসুদুর রহমান, সভাপতি, নাটাই উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ, সুমন মিয়া, যুগ্ম আহবায়ক,নাটাই উত্তর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ, সাইফুল ইসলাম(বটতলীপাড়া), সহ-সভাপতি, নাটাই উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ, জাহিদুল হক সোহাগ,সাংগঠনিক সম্পাদক, নাটাই ইউনিয়ন যুবলীগ, নোমান উদ্দীন সলিম,যুগ্ম আহবায়ক, নাটাই উত্তর ইউনিয়ন যুবলীগ, এলেম খান,সাধারণ সম্পাদক, নাটাই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গত, গত বছরের- ৪ঠা আগস্ট আওয়ামী লীগ যখন সারাদেশে আন্দোলনকারীদের উপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছিল, তখন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিরাসার বাসস্ট্যান্ডে সাধারণ ছাত্র জনতার উপর এসব আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সরাসরি হামলা চালিয়েছিল বলে জানা গেছে।
পরদিন ৫-ই আগস্ট যখন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা শেখ হাসিনা হঠাৎ দেশত্যাগ করেন, তখন ক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের সহায়তাকারী হিসেবে চিহ্নিত ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী সাইফুল ইসলাম মুন্নাকে লাঞ্চিত তোলে।সেখানে যুবদল কর্মী তুহিন ইসলাম উপস্থিত থেকে ভিডিও করেছিলেন। এছাড়াও- ৪ আগষ্ট বিরাসার বাসস্ট্যান্ডে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ছাত্র জনতার প্রতিরোধের সম্মুখভাগেও তুহিন ছিলেন বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি-৫ই আগস্টের প্রতিশোধ নিতে সাইফুল ইসলাম মুন্নার নেতৃত্বে আজকের এই নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে। আহতের স্বজনরা বলছেন,দিনের আলোয় প্রকাশ্যে এমন পরিকল্পিত আক্রমণ প্রমাণ করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ এখনো তাদের সহিংস রাজনীতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।
তুহিনের উপর এই বর্বরোচিত হামলা শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক প্রতিশোধ নয়, এটি স্থানীয় ফ্যাসিবাদ বিরোধী জনগণের নিরাপত্তার উপর সরাসরি আঘাত বলে মন্তব্য করেন।
অনলাইন ডেস্ক 
























