০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে

পঞ্চগড়ে চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি রাতে অনবরত ঠাণ্ডা বাতাসের কারণে শীতার্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে দুর্ভোগে পড়েছেন অসহায় ছিন্নমূল মানুষ।

আজ বুধবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়ায়, ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র পর্যবেক্ষক রোকনউজ্জামান জানিয়েছেন, তাপমাত্রা আরও কমতে থাকবে। অন্যদিকে অব্যাহত শীতে দরিদ্র মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে দুর্ভোগে পড়েছেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

জেলা প্রশাসক মো. জহিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, আমাদের কাছে যে পরিমাণ শীতবস্ত্র রয়েছে, তা দিয়ে আমরা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করছি। ইতোমধ্যে শীতবস্ত্রের চাহিদা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সন্ধ্যার পর পরই পাহাড় থেকে নেমে আসছে হিম বাতাস। ফলে ঠাণ্ডা বাড়ছে, ঘরমুখো হয়ে পড়ছে মানুষ। এতে সন্ধ্যা নামতেই শহরের রাস্তাঘাট গ্রাম-গঞ্জের হাটবাজারগুলো হয়ে পড়ছে জনশূন্য। আবার প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র না থাকায় চরম দুর্ভোগে দিন কাটাতে হচ্ছে অনেককে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে

প্রকাশিত : ১০:০৪:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৪

পঞ্চগড়ে চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি রাতে অনবরত ঠাণ্ডা বাতাসের কারণে শীতার্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে দুর্ভোগে পড়েছেন অসহায় ছিন্নমূল মানুষ।

আজ বুধবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়ায়, ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র পর্যবেক্ষক রোকনউজ্জামান জানিয়েছেন, তাপমাত্রা আরও কমতে থাকবে। অন্যদিকে অব্যাহত শীতে দরিদ্র মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে দুর্ভোগে পড়েছেন।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

জেলা প্রশাসক মো. জহিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, আমাদের কাছে যে পরিমাণ শীতবস্ত্র রয়েছে, তা দিয়ে আমরা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করছি। ইতোমধ্যে শীতবস্ত্রের চাহিদা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সন্ধ্যার পর পরই পাহাড় থেকে নেমে আসছে হিম বাতাস। ফলে ঠাণ্ডা বাড়ছে, ঘরমুখো হয়ে পড়ছে মানুষ। এতে সন্ধ্যা নামতেই শহরের রাস্তাঘাট গ্রাম-গঞ্জের হাটবাজারগুলো হয়ে পড়ছে জনশূন্য। আবার প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র না থাকায় চরম দুর্ভোগে দিন কাটাতে হচ্ছে অনেককে।