০৭:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

গ্রাহকের নামে ইবিএল সিকিউরিটিজের জিডি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৩:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২২
  • 122

ইবিএল সিকিডিরিটিজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে প্রাহকের মোবাইলে মিথ্যা তথ্য পাঠিয়ে শেয়ারবাজারে পেনিক সৃষ্টির অভিযোগ করায় গ্রাহক মো. আলমাস হোসেন তুহিনের নামে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ছায়েদুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) মতিঝিল থানায় তিনি জিডিটি করেন। যার নাম্বার-১৭২৫।

বিএসইসিতে করা অভিযোগের কপি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার কারণে জিডিটি করা হয় বলে জানিয়েছেন মো. ছায়েদুর রহমান।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

জিডিতে বলা হয়, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি ইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড একটি কোম্পানি ও স্বনামধন্য ব্রোকারেজ হাউজ। হাউজটির গ্রাহক মো. আলমাস হোসেন তুহিন। যার গ্রাহক আইডি- ৪৬০৯৮ এবং বিও- ১২০১৯৫০০৩৯৬১১৮২২। তিনি গত ২৪ আগস্ট বিএসইসি চেয়ারম্যানের বরাবর একটি অভিযোগ করেন।

জিডিতে দাবি করা হয়, ওই অভিযোগে তিনি কিছু মিথ্যা, বানোয়াট ও ভুল তথ্য এবং ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছেন। তিনি শুধু এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। উক্ত চিঠির কপি উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে ইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবসায়িক সুনাম নষ্ট করেছেন এবং আরও অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জিডিতে আরও বলা হয়েছে, এ ধরণের অপপ্রচার শেয়ারবাজার এবং বিনিয়োগকারী সকলের জন্যই ক্ষতিকর। এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর জায়গা। তাই এমন অপপ্রচার রোধে মতিঝিল থানা কর্তৃপক্ষের কাছে সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

মো. আলমাস হোসেন তুহিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (ডিএসই) লিখিত অভিযোগে বলেন, ইবিএল সিকিউরিটিজ উদ্দেশ্যমূলকভাবে শেয়ার মার্কেট ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের নীলকশা বাস্তবায়ন করার লক্ষে প্রাহকের মোবাইলে মিথ্যা তথ্য পাঠাচ্ছে। মিথ্যা তথ্য পাঠিয়ে পেনিক সৃষ্টির ফলে তিনদিনে তার প্রায় চার লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে বিষয়টি মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেন ইবিএল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ছায়েদুর রহমান। তিনি বলেন, এই অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। এ ধরনের নিউজ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তিনি বলেন, চিঠির কপিটি উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার কারণে আমরা জিডি করেছি। একজন গ্রাহক চাইলে কমিশনে অভিযোগ দিতে পারেন। কিন্ত কোনোভাবেই তিনি তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে পারেন না।

মিথ্যা, বানোয়াট ও ভুল তথ্য দিয়ে কমিশনে অভিযোগ করেছেন কিনা জানতে চাইলে মো. আলমাস হোসেন তুহিন বলেন, আমি সঠিক তথ্য দিয়ে রেগুলেটরি বডির কাছে আবেদন করেছি। আমিতো বাইরে আবেদন করি নাই। উনি (মো. ছায়েদুর রহমান) রিঅ্যাকশনটা জিডি দিয়ে করতে পারেন না। এটা পাওয়ার এক্সারসাইজ।

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রাহকের নামে ইবিএল সিকিউরিটিজের জিডি

প্রকাশিত : ০৩:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২২

ইবিএল সিকিডিরিটিজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে প্রাহকের মোবাইলে মিথ্যা তথ্য পাঠিয়ে শেয়ারবাজারে পেনিক সৃষ্টির অভিযোগ করায় গ্রাহক মো. আলমাস হোসেন তুহিনের নামে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ছায়েদুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) মতিঝিল থানায় তিনি জিডিটি করেন। যার নাম্বার-১৭২৫।

বিএসইসিতে করা অভিযোগের কপি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার কারণে জিডিটি করা হয় বলে জানিয়েছেন মো. ছায়েদুর রহমান।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

জিডিতে বলা হয়, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি ইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড একটি কোম্পানি ও স্বনামধন্য ব্রোকারেজ হাউজ। হাউজটির গ্রাহক মো. আলমাস হোসেন তুহিন। যার গ্রাহক আইডি- ৪৬০৯৮ এবং বিও- ১২০১৯৫০০৩৯৬১১৮২২। তিনি গত ২৪ আগস্ট বিএসইসি চেয়ারম্যানের বরাবর একটি অভিযোগ করেন।

জিডিতে দাবি করা হয়, ওই অভিযোগে তিনি কিছু মিথ্যা, বানোয়াট ও ভুল তথ্য এবং ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছেন। তিনি শুধু এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। উক্ত চিঠির কপি উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে ইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবসায়িক সুনাম নষ্ট করেছেন এবং আরও অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জিডিতে আরও বলা হয়েছে, এ ধরণের অপপ্রচার শেয়ারবাজার এবং বিনিয়োগকারী সকলের জন্যই ক্ষতিকর। এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর জায়গা। তাই এমন অপপ্রচার রোধে মতিঝিল থানা কর্তৃপক্ষের কাছে সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

মো. আলমাস হোসেন তুহিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (ডিএসই) লিখিত অভিযোগে বলেন, ইবিএল সিকিউরিটিজ উদ্দেশ্যমূলকভাবে শেয়ার মার্কেট ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের নীলকশা বাস্তবায়ন করার লক্ষে প্রাহকের মোবাইলে মিথ্যা তথ্য পাঠাচ্ছে। মিথ্যা তথ্য পাঠিয়ে পেনিক সৃষ্টির ফলে তিনদিনে তার প্রায় চার লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে বিষয়টি মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেন ইবিএল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ছায়েদুর রহমান। তিনি বলেন, এই অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। এ ধরনের নিউজ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তিনি বলেন, চিঠির কপিটি উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার কারণে আমরা জিডি করেছি। একজন গ্রাহক চাইলে কমিশনে অভিযোগ দিতে পারেন। কিন্ত কোনোভাবেই তিনি তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে পারেন না।

মিথ্যা, বানোয়াট ও ভুল তথ্য দিয়ে কমিশনে অভিযোগ করেছেন কিনা জানতে চাইলে মো. আলমাস হোসেন তুহিন বলেন, আমি সঠিক তথ্য দিয়ে রেগুলেটরি বডির কাছে আবেদন করেছি। আমিতো বাইরে আবেদন করি নাই। উনি (মো. ছায়েদুর রহমান) রিঅ্যাকশনটা জিডি দিয়ে করতে পারেন না। এটা পাওয়ার এক্সারসাইজ।