০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

চৈত্রের বৃষ্টিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমচাষিদের স্বস্তি

বেশ কয়েক দিন ধরেই তীব্র রোদ আর খরায় চিন্তিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমচাষিরা। একটু বৃষ্টির অপেক্ষা করছিলেন। অবশেষে স্বস্তি দিয়েছে প্রকৃতি। চৈত্রের একটু বৃষ্টিতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন জেলার আম চাষিরা।

সোমবার (০৪ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে কয়েক মিনিট ও রোববার রাত ৮ টা থেকে ১০টার মধ্যে থেমে থেমে প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে বৃষ্টি হয় আমের রাজধানীখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

এদিকে রোববার রাতে সদর উপজেলার কয়েক জায়গায় ঝড়ো হাওয়ার কারণে ঝরে যায় আমের গুটি। তবুও চৈত্রের এই বৃষ্টিকে সামগ্রিকভাবে আম চাষের জন্য সহায়ক বলে মনে করছেন গবেষক ও কৃষি বিভাগ।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবু সালেহ মো. ইউসুফ বলেন, এই সময়ে একটু বৃষ্টি প্রত্যাশিত ছিল আমচাষিদের জন্য। বৃষ্টির ফলে আমের গুটির ঝরে পড়া অনেকাংশেই কমে যাবে। এমনকি আম দ্রুত বাড়বে।

তিনি আরো বলেন, এই সময়ে আমের গুটিতে হপার পোকার আক্রমণ হয় ও অ্যানথ্রাকনোজ নামক ছত্রাকজনিত রোগ দেখা যায়। তাই অপেক্ষাকৃত বড় গুটির জন্য ক্লোরোপাইরিফস বা সাইপারমেথ্রিন ও ছোট আমের গুটির জন্য ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের কিটনাশক এবং কার্বন ডাইজিন গ্রুপের ছত্রাকনাশক ব্যবহার করতে হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, জেলাজুড়ে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আমের পাশাপাশি এই বৃষ্টির পানি ধানের জন্যও উপকারী। বৃষ্টির পাশাপাশি হওয়া ঝোড়ো হওয়াতে কৃষিপণ্যের তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি।

চলতি বছরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৮ হাজার হেক্টর জমিতে আমের চাষাবাদ হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জেলায় আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৩ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন। গেলো বছর জেলায় ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে আড়াই লাখ মেট্রিক টন এবং তার আগের বছর ৩৩ হাজার হেক্টর জমিতে ২ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চৈত্রের বৃষ্টিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমচাষিদের স্বস্তি

প্রকাশিত : ১২:১২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল ২০২২

বেশ কয়েক দিন ধরেই তীব্র রোদ আর খরায় চিন্তিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমচাষিরা। একটু বৃষ্টির অপেক্ষা করছিলেন। অবশেষে স্বস্তি দিয়েছে প্রকৃতি। চৈত্রের একটু বৃষ্টিতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন জেলার আম চাষিরা।

সোমবার (০৪ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে কয়েক মিনিট ও রোববার রাত ৮ টা থেকে ১০টার মধ্যে থেমে থেমে প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে বৃষ্টি হয় আমের রাজধানীখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

এদিকে রোববার রাতে সদর উপজেলার কয়েক জায়গায় ঝড়ো হাওয়ার কারণে ঝরে যায় আমের গুটি। তবুও চৈত্রের এই বৃষ্টিকে সামগ্রিকভাবে আম চাষের জন্য সহায়ক বলে মনে করছেন গবেষক ও কৃষি বিভাগ।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবু সালেহ মো. ইউসুফ বলেন, এই সময়ে একটু বৃষ্টি প্রত্যাশিত ছিল আমচাষিদের জন্য। বৃষ্টির ফলে আমের গুটির ঝরে পড়া অনেকাংশেই কমে যাবে। এমনকি আম দ্রুত বাড়বে।

তিনি আরো বলেন, এই সময়ে আমের গুটিতে হপার পোকার আক্রমণ হয় ও অ্যানথ্রাকনোজ নামক ছত্রাকজনিত রোগ দেখা যায়। তাই অপেক্ষাকৃত বড় গুটির জন্য ক্লোরোপাইরিফস বা সাইপারমেথ্রিন ও ছোট আমের গুটির জন্য ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের কিটনাশক এবং কার্বন ডাইজিন গ্রুপের ছত্রাকনাশক ব্যবহার করতে হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, জেলাজুড়ে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আমের পাশাপাশি এই বৃষ্টির পানি ধানের জন্যও উপকারী। বৃষ্টির পাশাপাশি হওয়া ঝোড়ো হওয়াতে কৃষিপণ্যের তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি।

চলতি বছরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৮ হাজার হেক্টর জমিতে আমের চাষাবাদ হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জেলায় আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৩ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন। গেলো বছর জেলায় ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে আড়াই লাখ মেট্রিক টন এবং তার আগের বছর ৩৩ হাজার হেক্টর জমিতে ২ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হয়েছে।