০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

নভেম্বরে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক করা হবে: বিমানমন্ত্রী

নভেম্বরের শুরুতেই কক্সবাজার আঞ্চলিক বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, আধুনিক টেকসই প্রতিযোগিতা মূলক পর্যটন খাত গড়ে তুলে বাংলাদেশকে পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তুলবে সরকার চায়।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‌বর্তমানে জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ২ থেকে ৩ শতাংশ। যা ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায় সরকার।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ড চালু করা হয়। টেকসই পর্যটন, উদ্ভাবন, সেবার মান, ডিজিটাল রূপান্তর, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিটিবি ১৩টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করে।

সেই সাথে ১২টি বিষয়ভিত্তিক স্টলে বাংলাদেশের খাবার, ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য, কারুশিল্প, বস্ত্র, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলো তুলে ধরা হয়।

স্টলগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেসরকারি খাতে গতি ফেরাতে ৬২ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা

নভেম্বরে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক করা হবে: বিমানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৯:৪৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

নভেম্বরের শুরুতেই কক্সবাজার আঞ্চলিক বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, আধুনিক টেকসই প্রতিযোগিতা মূলক পর্যটন খাত গড়ে তুলে বাংলাদেশকে পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তুলবে সরকার চায়।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‌বর্তমানে জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ২ থেকে ৩ শতাংশ। যা ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায় সরকার।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ড চালু করা হয়। টেকসই পর্যটন, উদ্ভাবন, সেবার মান, ডিজিটাল রূপান্তর, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিটিবি ১৩টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করে।

সেই সাথে ১২টি বিষয়ভিত্তিক স্টলে বাংলাদেশের খাবার, ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য, কারুশিল্প, বস্ত্র, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলো তুলে ধরা হয়।

স্টলগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হয়।