১২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইসলামিক ফাইন্যান্স উইং চালুর অনুমোদন পেল আইপিডিসি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৯:২৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 23

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে কোম্পানিটিকে ইসলামিক ফাইন্যান্স উইং চালু করার অনুমতি দিয়েছে।

ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক কোম্পানি আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি শরিয়াহভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবসা চালুর নীতিগত অনুমতি পেয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে কোম্পানিটিকে ইসলামিক ফাইন্যান্স উইং চালু করার অনুমতি দিয়েছে।

তথ্য অনুসারে, ইসলামিক ফাইন্যান্স উইন্ডোর মাধ্যমে শরিয়াহসম্মত অর্থায়ন ব্যবসা পরিচালনা করতে কোম্পানিটিকে তাদের মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন এবং আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশন পরিবর্তন, স্বাধীন শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটি গঠন, পৃথক ইসলামিক ফাইন্যান্স ডিভিশন প্রতিষ্ঠা, ইসলামিক ফান্ডকে আলাদা রাখা, পরিচালনার ম্যানুয়াল তৈরি, পৃথক হিসাব বিভাগ প্রতিষ্ঠার মতো শর্ত পূরণ করে চূড়ান্ত অনুমোদনের বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করতে হবে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৮৫ পয়সায়।

২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৭৩ পয়সায়।

২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৪৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৩৩ পয়সায়।

আইপিডিসির সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-১’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।

২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আইপিডিসি ফাইন্যান্সের অনুমোদিত মূলধন ৮০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৪২৯ কোটি ৫৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৬০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪২ কোটি ৯৫ লাখ ৮৪ হাজার ৮৫১। এর ৪০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া সরকারের কাছে ২১ দশমিক ৮৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৯ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামিক ফাইন্যান্স উইং চালুর অনুমোদন পেল আইপিডিসি

প্রকাশিত : ০৯:২৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে কোম্পানিটিকে ইসলামিক ফাইন্যান্স উইং চালু করার অনুমতি দিয়েছে।

ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক কোম্পানি আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি শরিয়াহভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবসা চালুর নীতিগত অনুমতি পেয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে কোম্পানিটিকে ইসলামিক ফাইন্যান্স উইং চালু করার অনুমতি দিয়েছে।

তথ্য অনুসারে, ইসলামিক ফাইন্যান্স উইন্ডোর মাধ্যমে শরিয়াহসম্মত অর্থায়ন ব্যবসা পরিচালনা করতে কোম্পানিটিকে তাদের মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন এবং আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশন পরিবর্তন, স্বাধীন শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটি গঠন, পৃথক ইসলামিক ফাইন্যান্স ডিভিশন প্রতিষ্ঠা, ইসলামিক ফান্ডকে আলাদা রাখা, পরিচালনার ম্যানুয়াল তৈরি, পৃথক হিসাব বিভাগ প্রতিষ্ঠার মতো শর্ত পূরণ করে চূড়ান্ত অনুমোদনের বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করতে হবে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৮৫ পয়সায়।

২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৭৩ পয়সায়।

২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৪৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৩৩ পয়সায়।

আইপিডিসির সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-১’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।

২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আইপিডিসি ফাইন্যান্সের অনুমোদিত মূলধন ৮০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৪২৯ কোটি ৫৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৬০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪২ কোটি ৯৫ লাখ ৮৪ হাজার ৮৫১। এর ৪০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া সরকারের কাছে ২১ দশমিক ৮৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৯ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।