০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

এবার রাষ্ট্রীয় খরচে হজে যাচ্ছেন ২৩ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রত্যেক বছর অসচ্ছল ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের রাষ্ট্রীয় খরচে হজে যাওয়ার সুযোগ দেয় সরকার। সেই সুযোগে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনীতিক, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা, মসজিদের ইমামসহ ২৫০ থেকে ৩০০ ব্যক্তি প্রতিবছর সরকারি খরচে হজে যেতেন।

হজের খরচ অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া এবং দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবার রাষ্ট্রীয় খরচে হজে যাওয়ার লাগাম টেনেছে সরকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এবার মাত্র ২৩ জন রাষ্ট্রীয় খরচে হজে যাচ্ছেন। তবে তাদের বিমান ভাড়া পরিশোধ করতে হবে। শনিবার (২০ মে) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সরকারি খরচে হজ পালনকারীদের তালিকা প্রকাশ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী এ তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো তালিকাসহ প্রধান হিসাব রক্ষণ ও অর্থ কর্মকর্তার কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে পাওয়া তালিকায় ২৩ ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে সরকার ঘোষিত প্যাকেজ মূল্যের মধ্যে বিমান ভাড়া ছাড়া অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দিয়ে পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে পাঠানোর সম্মতি দেওয়া হলো। রাষ্ট্রীয় খরচে হজ পালনের জন্য মনোনীতদের বিমান টিকিট বাবদ ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা দিতে হবে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

চিঠিতে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রীয় খরচে হজ পালনকারী ব্যক্তিরা বিমানের ফ্লাইট পাওয়া সাপেক্ষে সম্ভাব্য আগামী ১০ জুন (আগে বা পরে) সৌদি আরব যাবেন। একইভাবে বিমানের ফ্লাইট পাওয়া সাপেক্ষে আগামী ১৫ জুলাই বাংলাদেশে ফিরবেন তারা।

রাষ্ট্রীয় খরচে হজ পালনকারী ব্যক্তিরা সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী হিসেবে সরকারের সর্বনিম্ন প্যাকেজ মূল্যে উল্লেখিত সেবা পাবেন। তারা দৈনিক ভাতা বা অন্যান্য আর্থিক সুবিধাদি পাবেন না, তবে খাওয়া খরচ বাবদ ৩৫ হাজার টাকা হজে যাওয়ার আগে হজ অফিস থেকে দেওয়া হবে। রাষ্ট্রীয় খরচে হজ পালনকারী প্রত্যেক হজযাত্রীকে কোরবানি খরচ বাবদ আনুমানিক এক হাজার সৌদি রিয়াল আলাদাভাবে সঙ্গে নিতে হবে বলেও জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার রাষ্ট্রীয় খরচে হজে যাচ্ছেন ২৩ জন

প্রকাশিত : ১২:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রত্যেক বছর অসচ্ছল ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের রাষ্ট্রীয় খরচে হজে যাওয়ার সুযোগ দেয় সরকার। সেই সুযোগে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনীতিক, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা, মসজিদের ইমামসহ ২৫০ থেকে ৩০০ ব্যক্তি প্রতিবছর সরকারি খরচে হজে যেতেন।

হজের খরচ অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া এবং দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবার রাষ্ট্রীয় খরচে হজে যাওয়ার লাগাম টেনেছে সরকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এবার মাত্র ২৩ জন রাষ্ট্রীয় খরচে হজে যাচ্ছেন। তবে তাদের বিমান ভাড়া পরিশোধ করতে হবে। শনিবার (২০ মে) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সরকারি খরচে হজ পালনকারীদের তালিকা প্রকাশ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী এ তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো তালিকাসহ প্রধান হিসাব রক্ষণ ও অর্থ কর্মকর্তার কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে পাওয়া তালিকায় ২৩ ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে সরকার ঘোষিত প্যাকেজ মূল্যের মধ্যে বিমান ভাড়া ছাড়া অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দিয়ে পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে পাঠানোর সম্মতি দেওয়া হলো। রাষ্ট্রীয় খরচে হজ পালনের জন্য মনোনীতদের বিমান টিকিট বাবদ ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা দিতে হবে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

চিঠিতে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রীয় খরচে হজ পালনকারী ব্যক্তিরা বিমানের ফ্লাইট পাওয়া সাপেক্ষে সম্ভাব্য আগামী ১০ জুন (আগে বা পরে) সৌদি আরব যাবেন। একইভাবে বিমানের ফ্লাইট পাওয়া সাপেক্ষে আগামী ১৫ জুলাই বাংলাদেশে ফিরবেন তারা।

রাষ্ট্রীয় খরচে হজ পালনকারী ব্যক্তিরা সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী হিসেবে সরকারের সর্বনিম্ন প্যাকেজ মূল্যে উল্লেখিত সেবা পাবেন। তারা দৈনিক ভাতা বা অন্যান্য আর্থিক সুবিধাদি পাবেন না, তবে খাওয়া খরচ বাবদ ৩৫ হাজার টাকা হজে যাওয়ার আগে হজ অফিস থেকে দেওয়া হবে। রাষ্ট্রীয় খরচে হজ পালনকারী প্রত্যেক হজযাত্রীকে কোরবানি খরচ বাবদ আনুমানিক এক হাজার সৌদি রিয়াল আলাদাভাবে সঙ্গে নিতে হবে বলেও জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।