দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাইড-হেইলিং ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশে সম্প্রসারিত হয়েছে এবং রাজধানী ঢাকা শহরে তাদের সেবা চালু করেছে। খুব শীঘ্রই চট্টগ্রাম এবং খুলনা শহরেও সেবা চালু হবে। ম্যাক্সিম একটি সাশ্রয়ী মূল্যের ব্র্যান্ড, যা বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সাশ্রয়ী মূল্যে রাইড-হেইলিং সেবা প্রদান করছে। এর লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে রাইড প্রদান করা এবং নগর পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা। চালকদের জন্য আকর্ষণীয় সহযোগিতা শর্তের মাধ্যমে ম্যাক্সিম দেশে আরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
আপনি ম্যাক্সিম অ্যাপ বা ম্যাক্সিমের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রাইড অর্ডার করতে পারেন। উভয় প্ল্যাটফর্মই সম্পূর্ণভাবে বাংলা ভাষায় স্থানীয়করণ করা হয়েছে। বর্তমানে তিনটি ভাড়ার ধরন রয়েছে: গাড়ি, বাইক এবং সিএনজি। সবচেয়ে সাশ্রয়ী মাধ্যম, বাইকে রাইডের দাম ৫০ টাকা থেকে শুরু। গ্রাহকরা পিক-আপ এবং গন্তব্য ঠিকানা প্রবেশ করার পরই চূড়ান্ত মূল্য দেখতে পান, যা ট্রাফিকের অবস্থার কারণে পরিবর্তন হয় না। এটি গ্রাহকদের পরিবহন খরচ পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে এবং চালকদের উপার্জন ট্র্যাক করতে সহায়ক হয়।
ম্যাক্সিমের প্রযুক্তি প্রতিটি রাইডকে নিরাপদ করে তোলে। মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আপনি আপনার রাইড মানচিত্রে ট্র্যাক করতে পারেন এবং আপনার রুট অন্য কারও সাথে শেয়ার করতে পারেন। জরুরি পরিস্থিতিতে অ্যাপে কাস্টমার সাপোর্ট রয়েছে। এছাড়াও, আপনি সরাসরি অফিসে গিয়ে আপনার সমস্যা সমাধান করতে পারেন।
চালকদের জন্য, ম্যাক্সিম ফ্লেক্সিবল কাজের সময় এবং ০% কমিশন রেট দেয়, যার মানে তারা তাদের পুরো আয় রাখতে পারে। ট্যাক্সসি ড্রাইভার অ্যাপে, চালকরা বিভিন্ন এলাকার অর্ডার এবং তাদের মূল্য এবং রুট দেখতে পারেন। চালকরা সবচেয়ে কাছের বা লাভজনক রাইডটি বেছে নিতে পারেন, যা তাদের জ্বালানি সাশ্রয় করতে এবং খালি রাইড এড়াতে সাহায্য করে।
“আমাদের লক্ষ্য শুধু চলাচল ব্যবস্থা উন্নত করা নয়, বরং এই অঞ্চলের পরিবহন ব্যবস্থার বিকাশেও অবদান রাখা। আমরা নিশ্চিত যে আমাদের উপস্থিতি বাংলাদেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী করে তুলবে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছয়টি দেশে ম্যাক্সিম ইতিমধ্যে নিজেকে সফলভাবে প্রমাণ করেছে, এবং আমরা বিশ্বাস করি আমাদের সেবাগুলো বাংলাদেশেও জনপ্রিয় হবে,” বলেন ম্যাক্সিম বাংলাদেশের প্রধান আর কে রিপন।
প্রসঙ্গত, ম্যাক্সিম ২০১৮ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে প্রবেশ করে, এবং বাংলাদেশ এই অঞ্চলে তাদের সপ্তম দেশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া এবং ফিলিপাইনের পর। বাংলাদেশে, ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশী কোম্পানি ফ্লাই ট্যাক্সসি এভিয়েশন লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত হয়।
ম্যাক্সিম রাইড-হেইলিং সেবার জন্য উদ্ভাবনী প্রযুক্তি তৈরি করে, যা সেবাগুলোকে আরও আধুনিক, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ করে তোলে। কোম্পানির অভ্যন্তরীণ প্রযুক্তি উন্নয়নের মাধ্যমে অসংখ্য চালক নিবন্ধন এবং প্রতিদিন লক্ষাধিক অর্ডার পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে। ম্যাক্সিম অ্যাপ এবং চালকদের জন্য ট্যাক্সসি ড্রাইভার অ্যাপ বিশ্বজুড়ে শীর্ষ অ্যাপগুলোর মধ্যে রয়েছে, যার লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারী রয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক 

























