০৬:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের প্রথম মাইক্রো টানেলিং স্যুয়ারেজ প্রকল্প পেয়েছে সিসিইসিসি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০২:০১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৩
  • 99

চীনা ত্রিপক্ষীয় যৌথ অংশীদারিত্বে ঢাকা পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (ঢাকা ওয়াসা) এর সাথে পূর্ব ট্রাঙ্ক মেইন পুনঃর্নির্মাণের জন্য নকশা এবং নির্মাণ উপ-প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

পানি সরবরাহ ও পয়নিস্কাসন বিসেসায়িত কারিগরি প্রতিষ্টান চীনা যৌথ অংশীদারিত্বে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন (সিসিইসিসি) এর নেতৃত্বে দুটি চীনা পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশনে বিশেষায়িত কারিগরি প্রতিষ্ঠান, স্যাফবন ওয়াটার সার্ভিসেস (হোল্ডিং) ইনকর্পোরেশন, সাংহাই এবং সাংহাই মিউনিসিপ্যাল ​​ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন ইনস্টিটিউট (গ্রুপ) কোং

গত ৪ জানুয়ারী ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি সম্পাদন করে। চুক্তিটি ঢাকা স্যানিটেশন ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (ডিএসআইপি) এর অধীনে সাতটি ট্রাঙ্ক মেইন নর্দমা উপ-প্রকল্পের মধ্যে একটি।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

“চুক্তির অধীনে, ঠিকাদার ১২.১২ কিলোমিটার ট্রাঙ্ক মেইন নর্দমা এবং গোলাপবাগে একটি স্যুয়েজ পাম্পিং স্টেশন (এসপিএস) ডিজাইন ও নির্মাণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্প পরিচালক, মোঃ রফিকুল ইসলাম চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জানান ১২.১২ কিলোমিটার ট্রাঙ্ক মেইন নর্দমাটির মধ্যে ৫.৯৭ কিলোমিটার মাইক্রো টানেলিং পদ্ধতি ব্যবহার করে এবং বাকীটি উন্মুক্ত ট্রেঞ্চ পদ্ধতি ব্যবহার করে নির্মাণ করা হবে।

এবং এটি ঢাকা ওয়াসা কে শুধুমাত্র একটি উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাই নয়, বরং ঢাকা ওয়াসা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন মাইক্রো-টানেলিং প্রযুক্তিতে সজ্জিত করার সুযোগও করে দেবে । বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো নর্দমা শোধন প্রকল্পে মাইক্রো টানেলিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে ।

ঢাকা শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ১০০ বছর আগে ১৯২৩ সালে প্রায় ৫০ কিলোমিটার নর্দমা লাইন এবং একটি ইমহফ ট্যাঙ্ক টাইপ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট দিয়ে শুরু হয়েছিল । ১৯৬৮ সালে পাগলায় নির্মিত ৪ টি ফ্যাকাল্টেটিভ লেগুন সহ প্রথম প্রচলিত স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি ১৯৭৮ সালে সংস্কার করা হয়েছিল, যা প্রতিদিন ৫,০০,০০০ পানি ব্যবহারকারীকে পরিবেশন করে।

চুক্তিটি বিশ্বব্যাংক এবং এআইআইবি যৌথভাবে অর্থায়নকৃত ঢাকা স্যানিটেশন ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (ডিএসআইপি) এর একটি উপ-প্রকল্প, যার লক্ষ্য পাগলা এলাকায় একটি ২০০ এমএলডি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণ এবং নর্দমা পাইপলাইন পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে ১৫ লাখ নাগরিকদের উন্নত নিরাপদ স্যানিটেশন পরিষেবা প্রদান করা ।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের প্রথম মাইক্রো টানেলিং স্যুয়ারেজ প্রকল্প পেয়েছে সিসিইসিসি

প্রকাশিত : ০২:০১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৩

চীনা ত্রিপক্ষীয় যৌথ অংশীদারিত্বে ঢাকা পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (ঢাকা ওয়াসা) এর সাথে পূর্ব ট্রাঙ্ক মেইন পুনঃর্নির্মাণের জন্য নকশা এবং নির্মাণ উপ-প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

পানি সরবরাহ ও পয়নিস্কাসন বিসেসায়িত কারিগরি প্রতিষ্টান চীনা যৌথ অংশীদারিত্বে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন (সিসিইসিসি) এর নেতৃত্বে দুটি চীনা পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশনে বিশেষায়িত কারিগরি প্রতিষ্ঠান, স্যাফবন ওয়াটার সার্ভিসেস (হোল্ডিং) ইনকর্পোরেশন, সাংহাই এবং সাংহাই মিউনিসিপ্যাল ​​ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন ইনস্টিটিউট (গ্রুপ) কোং

গত ৪ জানুয়ারী ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি সম্পাদন করে। চুক্তিটি ঢাকা স্যানিটেশন ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (ডিএসআইপি) এর অধীনে সাতটি ট্রাঙ্ক মেইন নর্দমা উপ-প্রকল্পের মধ্যে একটি।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

“চুক্তির অধীনে, ঠিকাদার ১২.১২ কিলোমিটার ট্রাঙ্ক মেইন নর্দমা এবং গোলাপবাগে একটি স্যুয়েজ পাম্পিং স্টেশন (এসপিএস) ডিজাইন ও নির্মাণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্প পরিচালক, মোঃ রফিকুল ইসলাম চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জানান ১২.১২ কিলোমিটার ট্রাঙ্ক মেইন নর্দমাটির মধ্যে ৫.৯৭ কিলোমিটার মাইক্রো টানেলিং পদ্ধতি ব্যবহার করে এবং বাকীটি উন্মুক্ত ট্রেঞ্চ পদ্ধতি ব্যবহার করে নির্মাণ করা হবে।

এবং এটি ঢাকা ওয়াসা কে শুধুমাত্র একটি উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাই নয়, বরং ঢাকা ওয়াসা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন মাইক্রো-টানেলিং প্রযুক্তিতে সজ্জিত করার সুযোগও করে দেবে । বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো নর্দমা শোধন প্রকল্পে মাইক্রো টানেলিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে ।

ঢাকা শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ১০০ বছর আগে ১৯২৩ সালে প্রায় ৫০ কিলোমিটার নর্দমা লাইন এবং একটি ইমহফ ট্যাঙ্ক টাইপ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট দিয়ে শুরু হয়েছিল । ১৯৬৮ সালে পাগলায় নির্মিত ৪ টি ফ্যাকাল্টেটিভ লেগুন সহ প্রথম প্রচলিত স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি ১৯৭৮ সালে সংস্কার করা হয়েছিল, যা প্রতিদিন ৫,০০,০০০ পানি ব্যবহারকারীকে পরিবেশন করে।

চুক্তিটি বিশ্বব্যাংক এবং এআইআইবি যৌথভাবে অর্থায়নকৃত ঢাকা স্যানিটেশন ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (ডিএসআইপি) এর একটি উপ-প্রকল্প, যার লক্ষ্য পাগলা এলাকায় একটি ২০০ এমএলডি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণ এবং নর্দমা পাইপলাইন পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে ১৫ লাখ নাগরিকদের উন্নত নিরাপদ স্যানিটেশন পরিষেবা প্রদান করা ।