০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগে উৎসাহিত করতে এসিআই’র রোড-শো

মোঃ জাহিদ হোসাইন: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি একটি বৃহত্তম খাত। কৃষি কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে দেশের অর্থনীতি। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭০% লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু বর্তমানে কৃষকরা সঠিক উপায়ে এবং উপযুক্ত সময়ে জমিতে সার প্রয়োগ না করার ফলে নানারকম সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। “সঠিক মানের সুষম সার, সহজ ব্যবহার, ফলন বাম্পার” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সারা দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হচ্ছে এসিআই রত্ন সুষম সারের রোড-শো কর্মসূচী।

নানা রকমের সমস্যা সমাধানের লক্ষে সারা দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হচ্ছে এসিআই রত্ন সুষম সারের বর্নাঢ্য এক রোড শো কর্মসূচী। এই রোড শো’র মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি রত্ন সারের সঠিক ব্যবহার বিধি এবং প্রয়োগ সম্পর্কে প্রতিনিধির কাছে সহজেই জানতে পারছেন, যার ফলে কৃষকদের মাঝে সুষম সার ব্যবহারের সচেতনতা ও প্রয়োজনীয়তা ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে।

কৃষকরা খুব সহজেই তাদের জমিতে ফসলের চারটি অত্যবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান এর ঘাটতি একই সাথে খুব সহজেই পূরণ করতে পারবে পাশাপাশি উৎপাদন খরচ অনেকাংশে রোধ করবে। কৃষকরা রত্ন সার তাদের জমিতে প্রয়োগ করার ফলে ফসলের বাৎসরিক লভ্যাংশ অনেকাংশে বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

ফসলের অতি প্রয়োজনীয় চারটি পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি রত্ন সুষম সার সুষমভাবে একাই পূরণ করে। চারটির পরিবর্তে একটি সার ব্যবহার করায় পরিবহন ও জমিতে প্রয়োগ সহজ হয় ফলে পরিবহন ও প্রয়োগজনিত খরচে সাশ্রয় হয়। এক্ষেত্রে আলাদা ভাবে অন্যান্য সার যেমন ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি, এমওপি ও সালফার জমিতে প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয় না।

রত্ন সার ব্যবহারের মাধ্যমে মাটির গুনগত মান ঠিক রাখে এবং অতিরিক্ত অথবা অসম মাত্রায় রাসায়নিক সারের ব্যবহার অনেকাংশে কমিয়ে আনে। রত্ন সার ব্যবহারের ফলে নানবিধ রোগ বালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমন হতে ফসল রক্ষা পায়। গাছ সুষমভাবে অতি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানসমূহ গ্রহন করতে পারায় গাছ সঠিক ও সুস্থ্য-সবল ভাবে বেড়ে উঠে।

এসিআই রত্ন সার গাছের জন্য অত্যাবশ্যকীয় চারটি পুষ্টি উপাদান দ্বারা সমৃদ্ধ “নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও সালফারের সম্বনয়ে তৈরি হয় সুষম সার। সঠিকভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় সার মাটিতে দ্রুত ও দীর্ঘ সময় নিয়ে কাজ করতে পারে।

সাধারন ফসলের ক্ষেত্রে জমি তৈরির শেষ চাষে অথবা ফসলের প্রয়োজন অনুযায়ী বিঘাপ্রতি (৩৩ শতক) ৫০ থেকে ৬০ কেজি বা প্রতি শতকে ১.৫ থেকে ২ কেজি প্রয়োগ করতে হবে। ফল ও অন্যান্য গাছের ক্ষেত্রে রোপনের সময় ৩০০ থেকে ৫০০ গ্রাম এবং বয়স্ক গাছে ১ থেকে ২ কেজি বছরে ২ বার গাছের চারপাশে বৃত্তাকারে ছিটিয়ে প্রয়োগ করে মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে।

উল্লেখ্য, রত্ন সুষম সারের রোড শো অভিযান কুমিল্লা থেকে শুরু হয়ে মোট ৩৫ টি জেলায় রোড-শো কর্মসূচী পালন করবে এবং চট্টগ্রামে একটি সমাপনি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এসিআই রত্ন সুষম সারের রোড শো অভিযান সমাপ্ত হবে।

লিখেছেন: মোঃ জাহিদ হোসাইন, মার্কেটিং সার্ভিসেস অফিসার, এসিআই ফার্টিলাইজার

জনপ্রিয় সংবাদ

সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগে উৎসাহিত করতে এসিআই’র রোড-শো

প্রকাশিত : ০১:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুন ২০২২

মোঃ জাহিদ হোসাইন: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি একটি বৃহত্তম খাত। কৃষি কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে দেশের অর্থনীতি। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭০% লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু বর্তমানে কৃষকরা সঠিক উপায়ে এবং উপযুক্ত সময়ে জমিতে সার প্রয়োগ না করার ফলে নানারকম সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। “সঠিক মানের সুষম সার, সহজ ব্যবহার, ফলন বাম্পার” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সারা দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হচ্ছে এসিআই রত্ন সুষম সারের রোড-শো কর্মসূচী।

নানা রকমের সমস্যা সমাধানের লক্ষে সারা দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হচ্ছে এসিআই রত্ন সুষম সারের বর্নাঢ্য এক রোড শো কর্মসূচী। এই রোড শো’র মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি রত্ন সারের সঠিক ব্যবহার বিধি এবং প্রয়োগ সম্পর্কে প্রতিনিধির কাছে সহজেই জানতে পারছেন, যার ফলে কৃষকদের মাঝে সুষম সার ব্যবহারের সচেতনতা ও প্রয়োজনীয়তা ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে।

কৃষকরা খুব সহজেই তাদের জমিতে ফসলের চারটি অত্যবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান এর ঘাটতি একই সাথে খুব সহজেই পূরণ করতে পারবে পাশাপাশি উৎপাদন খরচ অনেকাংশে রোধ করবে। কৃষকরা রত্ন সার তাদের জমিতে প্রয়োগ করার ফলে ফসলের বাৎসরিক লভ্যাংশ অনেকাংশে বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

ফসলের অতি প্রয়োজনীয় চারটি পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি রত্ন সুষম সার সুষমভাবে একাই পূরণ করে। চারটির পরিবর্তে একটি সার ব্যবহার করায় পরিবহন ও জমিতে প্রয়োগ সহজ হয় ফলে পরিবহন ও প্রয়োগজনিত খরচে সাশ্রয় হয়। এক্ষেত্রে আলাদা ভাবে অন্যান্য সার যেমন ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি, এমওপি ও সালফার জমিতে প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয় না।

রত্ন সার ব্যবহারের মাধ্যমে মাটির গুনগত মান ঠিক রাখে এবং অতিরিক্ত অথবা অসম মাত্রায় রাসায়নিক সারের ব্যবহার অনেকাংশে কমিয়ে আনে। রত্ন সার ব্যবহারের ফলে নানবিধ রোগ বালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমন হতে ফসল রক্ষা পায়। গাছ সুষমভাবে অতি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানসমূহ গ্রহন করতে পারায় গাছ সঠিক ও সুস্থ্য-সবল ভাবে বেড়ে উঠে।

এসিআই রত্ন সার গাছের জন্য অত্যাবশ্যকীয় চারটি পুষ্টি উপাদান দ্বারা সমৃদ্ধ “নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও সালফারের সম্বনয়ে তৈরি হয় সুষম সার। সঠিকভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় সার মাটিতে দ্রুত ও দীর্ঘ সময় নিয়ে কাজ করতে পারে।

সাধারন ফসলের ক্ষেত্রে জমি তৈরির শেষ চাষে অথবা ফসলের প্রয়োজন অনুযায়ী বিঘাপ্রতি (৩৩ শতক) ৫০ থেকে ৬০ কেজি বা প্রতি শতকে ১.৫ থেকে ২ কেজি প্রয়োগ করতে হবে। ফল ও অন্যান্য গাছের ক্ষেত্রে রোপনের সময় ৩০০ থেকে ৫০০ গ্রাম এবং বয়স্ক গাছে ১ থেকে ২ কেজি বছরে ২ বার গাছের চারপাশে বৃত্তাকারে ছিটিয়ে প্রয়োগ করে মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে।

উল্লেখ্য, রত্ন সুষম সারের রোড শো অভিযান কুমিল্লা থেকে শুরু হয়ে মোট ৩৫ টি জেলায় রোড-শো কর্মসূচী পালন করবে এবং চট্টগ্রামে একটি সমাপনি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এসিআই রত্ন সুষম সারের রোড শো অভিযান সমাপ্ত হবে।

লিখেছেন: মোঃ জাহিদ হোসাইন, মার্কেটিং সার্ভিসেস অফিসার, এসিআই ফার্টিলাইজার