১০:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যুর সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশীয় উৎপাদন ও সেবা খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য বিদেশি বিনিয়োগ সংগ্রহের সুযোগ আরও সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে নির্দিষ্ট শর্তে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে অগ্রাধিকার শেয়ার (প্রেফারেন্স শেয়ার) ইস্যু করতে পারবে এসব প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে এ ধরনের শেয়ারের লভ্যাংশ ও নগদায়নের অর্থ বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ ব্যাংক এ-সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা দিয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অগ্রাধিকার শেয়ারের লভ্যাংশের হার অভিহিত মূল্যের ৫ শতাংশের মধ্যে থাকলে তা বিদেশে পাঠাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের আগাম অনুমোদন নিতে হবে না। তবে এর বেশি হারে লভ্যাংশ প্রদান কিংবা অংশগ্রহণমূলক বা পরিবর্তনশীল হারে লভ্যাংশ দেওয়ার ক্ষেত্রে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যৌক্তিকতাসহ আবেদন করতে হবে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অগ্রাধিকার শেয়ার কেনার অর্থ বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বিদেশি মুদ্রায় বাংলাদেশে আনতে হবে। শেয়ার ইস্যুর ১৪ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট এডি ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

অগ্রাধিকার শেয়ার অভিহিত মূল্যে ইস্যু করতে হবে। ফলে এ ধরনের শেয়ার ইস্যু বা নগদায়নের ক্ষেত্রে কোম্পানির পৃথক মূল্যায়নের প্রয়োজন হবে না।

তবে অগ্রাধিকার শেয়ার সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরের সুযোগ থাকলে বিদ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী সাধারণ শেয়ারের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, অগ্রাধিকার শেয়ারের লভ্যাংশ ও নগদায়নের অর্থ বিদেশে পাঠাতে হবে মূল বিনিয়োগ যে এডি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছিল, সেই ব্যাংকের মাধ্যমেই। একই সঙ্গে যে দেশ থেকে বিনিয়োগ এসেছে, অর্থ ফেরত পাঠাতে হবে সেই দেশেই।

নগদায়নের প্রতিটি কিস্তির অর্থ বিদেশে পাঠানোর ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এডি ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

এ ছাড়া অগ্রাধিকার শেয়ারের লভ্যাংশ একই কোম্পানি কিংবা অন্য কোনো কোম্পানির সাধারণ শেয়ারে পুনর্বিনিয়োগ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

তবে নির্ধারিত সময়ে মূলধন বা জমা হওয়া লভ্যাংশ ফেরত না নিলে বকেয়া অর্থের বিপরীতে অতিরিক্ত সুদ কিংবা ক্ষতিপূরণ দাবি করা যাবে না।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সম্পূর্ণ রূপান্তরযোগ্য ও নগদায়ন-অযোগ্য অগ্রাধিকার শেয়ারকে ইকুইটি মূলধন হিসেবে গণ্য করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ উদ্যোগের ফলে দেশীয় উৎপাদন ও সেবা খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য বিদেশি বিনিয়োগ সংগ্রহ এবং বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ ও মূলধন ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যুর সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিত : ০৯:৪৪:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

দেশীয় উৎপাদন ও সেবা খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য বিদেশি বিনিয়োগ সংগ্রহের সুযোগ আরও সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে নির্দিষ্ট শর্তে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে অগ্রাধিকার শেয়ার (প্রেফারেন্স শেয়ার) ইস্যু করতে পারবে এসব প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে এ ধরনের শেয়ারের লভ্যাংশ ও নগদায়নের অর্থ বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ ব্যাংক এ-সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা দিয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অগ্রাধিকার শেয়ারের লভ্যাংশের হার অভিহিত মূল্যের ৫ শতাংশের মধ্যে থাকলে তা বিদেশে পাঠাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের আগাম অনুমোদন নিতে হবে না। তবে এর বেশি হারে লভ্যাংশ প্রদান কিংবা অংশগ্রহণমূলক বা পরিবর্তনশীল হারে লভ্যাংশ দেওয়ার ক্ষেত্রে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যৌক্তিকতাসহ আবেদন করতে হবে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অগ্রাধিকার শেয়ার কেনার অর্থ বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বিদেশি মুদ্রায় বাংলাদেশে আনতে হবে। শেয়ার ইস্যুর ১৪ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট এডি ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

অগ্রাধিকার শেয়ার অভিহিত মূল্যে ইস্যু করতে হবে। ফলে এ ধরনের শেয়ার ইস্যু বা নগদায়নের ক্ষেত্রে কোম্পানির পৃথক মূল্যায়নের প্রয়োজন হবে না।

তবে অগ্রাধিকার শেয়ার সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরের সুযোগ থাকলে বিদ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী সাধারণ শেয়ারের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, অগ্রাধিকার শেয়ারের লভ্যাংশ ও নগদায়নের অর্থ বিদেশে পাঠাতে হবে মূল বিনিয়োগ যে এডি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছিল, সেই ব্যাংকের মাধ্যমেই। একই সঙ্গে যে দেশ থেকে বিনিয়োগ এসেছে, অর্থ ফেরত পাঠাতে হবে সেই দেশেই।

নগদায়নের প্রতিটি কিস্তির অর্থ বিদেশে পাঠানোর ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এডি ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

এ ছাড়া অগ্রাধিকার শেয়ারের লভ্যাংশ একই কোম্পানি কিংবা অন্য কোনো কোম্পানির সাধারণ শেয়ারে পুনর্বিনিয়োগ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

তবে নির্ধারিত সময়ে মূলধন বা জমা হওয়া লভ্যাংশ ফেরত না নিলে বকেয়া অর্থের বিপরীতে অতিরিক্ত সুদ কিংবা ক্ষতিপূরণ দাবি করা যাবে না।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সম্পূর্ণ রূপান্তরযোগ্য ও নগদায়ন-অযোগ্য অগ্রাধিকার শেয়ারকে ইকুইটি মূলধন হিসেবে গণ্য করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ উদ্যোগের ফলে দেশীয় উৎপাদন ও সেবা খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য বিদেশি বিনিয়োগ সংগ্রহ এবং বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ ও মূলধন ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।