টানা পতনের চাপ কাটিয়ে শেয়ারবাজারে আবারও উত্থানমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে দিয়েছেন, এই উত্থান নকল নয়; দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হওয়া সূচক ও লেনদেনের মাঝে রিস্কও কম নয়। বিনিয়োগকারীদের অতিরিক্ত উত্তেজনায় ঝাঁপানোর আগে সাবধান হওয়া জরুরি।
গতকাল (৮ ডিসেম্বর) সূচকের ঘুরে দাঁড়ানোর পর আজ (৯ ডিসেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রেখেছে। দিনের শুরু থেকেই সূচক বাড়ছে এবং শেষ পর্যন্ত সেই গতি বজায় থাকায় দিনের শেষ পর্যন্ত সূচক, লেনদেন ও বেশিরভাগ শেয়ারদর বেড়েছে।
ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৬.৬১ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪,৯৬২.৯০ পয়েন্টে। ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ১১.৬৯ পয়েন্ট, ১,০৩৯.২৩ পয়েন্টে পৌঁছেছে, এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৪.৮২ পয়েন্ট বাড়িয়ে ১,৯০৭.৭৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ৩১৭টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৩৫টির কমেছে এবং ৩৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে—৪৫৮ কোটি ৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, আগের দিন যা ছিল ৩৬৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ একদিনে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) তেও একই চিত্র। আজ ১৬৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১৮টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৩১টির কমেছে এবং ১৭টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। দিনশেষে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৯৮.৬২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩,৭৯৭.৬৩ পয়েন্টে।
বাজার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী বাজার বিনিয়োগকারীদের জন্য সুযোগও দিতে পারে, কিন্তু একই সঙ্গে বড় ক্ষতির ঝুঁকিও লুকিয়ে থাকতে পারে। বিনিয়োগের আগে বাজার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা অপরিহার্য।