নিজস্ব প্রতিবেদক : আপাতত ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। এজন্য বিনিয়োগকারীদের ভয়ের কোন কারন নেই। সিইও ফোরামের সাথে বিএসইসি’র বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি,২০২৩) সিইও ফোরামের প্রতিনিধিদের সাথে বর্তমান পরিস্থিতিতে করনীয় ঠিক করতে বৈঠকে বসে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন,আগামী মার্চ মাসের মধ্যে পুঁজিবাজারের জন্য সুখবর আসছে। এই সময়ের পুঁজিবাজারের এক্সপোজার থেকে বাদ যাবে বন্ডের বিনিয়োগ। এর ফলে বাজারে বিনিয়োগ করার মতো প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি বলেন, আপাতত ফ্লোর প্রাইজ উঠানো হবে না।পুঁজিবাজারে লেনদেনে গতি ফেরাতে তালিকাভুক্ত ১৬৯ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস বা সর্বনিম্ন মূল্যস্তর তুলে নেওয়া হয়েছিল গত বছরের ২১ ডিসেম্বর। একইসাথে এসব কোম্পানির শেয়ারদর এক দিনে সর্বোচ্চ কমায় সীমা নির্ধারিত হয়েছিল ১ শতাংশ।
সকাল ১০ টায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। বৈঠকে নতুন করে ফ্লোর প্রাইস না তুলে নেয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।
গত কয়েকদিন গুজব ছড়ানো হয় যে, ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে দিচ্ছে বিএসইসি। এতে পুঁজিবাজারে টানা দরপতন শুরু হয়। বৈঠকে অংশগ্রহন করা একজন জানিয়েছেন, এখনই ফ্লোর প্রাইস তুলে দেওয়ার ব্যাপারে কমিশনে কোন আলোচনা হয়নি।তিনি বলেন, সূচক ৬৭০০ অতিক্রমের পর পুঁজিবাজারের স্বাস্থ্য ভালো হলে ফ্লোর প্রাইস তুলে দেওয়া হবে।
এদিকে, টানা পাঁচ কর্মদিবস কমার পর সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১৭ পয়েন্ট। ৫৬টি কোম্পানির দর বৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ৯৮টির দর।
এদিন লেনদেনও কিছুটা বেড়েছে। হাতবদল হয়েছ ২৬১ কোটি ৭৩ লাখ ১৩ হাজার টাকার শেয়ার, যা আগের দিন ছিল ২৩১ কোটি ৪১ লাখ ৭২ হাজার টাকা।