নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বব্যাপী চলমান অর্থনৈতিক সংকটের গত বছর বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ কিনেছে, যা ১৯৬৭ সালের পর এক বছরে সর্বোচ্চ। এসব স্বর্ণের অর্থমূল্য দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ডলারে।
গেল বছরের শেষ প্রান্তিকে স্বর্ণে ক্ষুদ্র বিনিয়োগের হারও ছিল বলিষ্ঠ। ফলে মূল্যবান ধাতুটির বৈশ্বিক চাহিদা এক দশকের সর্বোচ্চে উন্নীত হয়েছে। চাহিদার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭৪১ টনে। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল (ডব্লিউজিসি) সম্প্রতি ‘গোল্ড ডিমান্ড ট্রেন্ডস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে, ১৯৯০-২০০০ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোয় বিশেষ করে পশ্চিম ইউরোপে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের বার মজুদ ছিল। বছরে কয়েক শত টন স্বর্ণ বিক্রি করত এসব ব্যাংক। ২০০৮-০৯ সালের মধ্যে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলে ইউরোপের ব্যাংকগুলো বিক্রি বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে ব্যাংকগুলো স্বর্ণ বিক্রির পরিবর্তে ক্রয়ের পরিমাণ বাড়াচ্ছে।
ডব্লিউজিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর ২০২১ সালের তুলনায় স্বর্ণের বৈশ্বিক চাহিদা ১৮ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোয় চাহিদা ৫৫ বছরের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। এ খাতে মূল্যবান ধাতুটির বছরে চাহিদা ছিল ১ হাজার ১৩৬ টন, যা এর আগের বছরের তুলনায় ১৫২ শতাংশ বেশি। ডব্লিউজিসি জানায়, নভেল করোনাভাইরাস মহামারী দেখা দেয়ার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার হার কমে গেলেও ২০২২ সালের দ্বিতীয়ার্ধে তা আকাশচুম্বী হয়ে ওঠে। এ সময় বিশ্বজুড়ে ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৬২ টনে।